📌 বরগুনায় নির্মিতব্য টাউন হল ছয় বছরেও অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। দরজা-জানালা চুরি হয়ে যাওয়ায় ভবনটি পরিণত হয়েছে গোয়ালঘর ও মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে। পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির ব্যয় ছিল সাত কোটি দুই লাখ টাকা
বরগুনা পৌরসভার উদ্যোগে নির্মিত প্রায় পাঁচশ আসনের টাউন হল ছয় বছরেও সম্পূর্ণ হয়নি। আনুষঙ্গিক কাজ বাকি থাকায় ভবনটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দরজা-জানালা চুরি হয়ে যাওয়ায় পরিণত হয়েছে গোয়ালঘরের খোঁয়াড়ে। স্থানীয় মাদকসেবীরাও নিয়মিত আড্ডা দিতে শুরু করেছে এখানে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরগুনা পৌরসভা নির্মিত টাউন হলের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়নি ছয় বছরেও
- 📌 ভবনের দরজা-জানালা চুরি হয়ে যাওয়ায় পরিণত হয়েছে গোয়ালঘরে
- 📌 প্রকল্পটির ব্যয় ছিল সাত কোটি দুই লাখ টাকা
- 📌 স্থানীয় মাদকসেবীরা নিয়মিত আড্ডা দিতে শুরু করেছে অসম্পূর্ণ ভবনে
- 📌 জেলায় রয়েছে বিশটির অধিক সক্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন
📰 বিস্তারিত
বরগুনা শহরের সিরাজউদ্দীন সড়কে নির্মিত প্রায় পাঁচশ আসনের টাউন হল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে। ২০১৮ সালের মার্চে শুরু হওয়া প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল সাত কোটি দুই লাখ টাকা। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় ভবনটি ব্যবহারের অযোগ্য রয়ে গেছে।
খেলাঘর বরগুনা জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাসেল মাহমুদ জানান, সাংস্কৃতিক চর্চা ও বিকাশের লক্ষ্যেই টাউন হল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের জন্য আলাদা কক্ষ দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল। কিন্তু কাজ শেষ না হওয়ায় কোনো সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না।
জেলা শ্রমিক আন্দোলনের সাবেক সভাপতি গোলাম হায়দার স্বপন বলেন, টাউন হলটি পুরোপুরি নির্মাণ করা সম্ভব হলে রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সভা-সমাবেশ আয়োজন অনেক সহজ হতো। তাঁর অভিযোগ, সাবেক পৌর মেয়র কামরুল আহসান মহারাজের সময় রাজনৈতিক বিরোধের কারণে প্রকল্পটির কাজ আর শেষ হয়নি।
"টাউন হলটি পুরোপুরি নির্মাণ করা সম্ভব হলে রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সভা-সমাবেশ এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন অনেক সহজ হতো।"
বরগুনা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাছুম বিল্লাহ্ জানান, নির্মাণকাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ঠিকাদার প্রায় চার কোটি টাকা বিল নিয়েছেন। কাজ শুরু হলে প্রশাসক অথবা মেয়র প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থের ব্যবস্থা করে দেবেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরগুনা শহর, সিরাজউদ্দীন সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রাসেল মাহমুদ, গোলাম হায়দার স্বপন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ আসন, ৭ কোটি ২ লাখ টাকা, ৮০ শতাংশ, ৪ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!