📌 বরিশালে বাস শ্রমিকদের মারধরের প্রতিবাদে মঙ্গলবার পুনরায় সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কসহ বিভিন্ন জেলার দূরপাল্লার বাস চলাচল স্থগিত রয়েছে। পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগেও পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না
বরিশালে বাস শ্রমিকদের মারধরের প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টা থেকে পুনরায় সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কসহ ঝালকাঠী, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও বরগুনা থেকে রাজধানীগামী দূরপাল্লার বাস চলাচল স্থগিত রয়েছে। ফলে শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরিশালের রহমতপুর এলাকায় অভ্যন্তরীণ রুটের একটি বাসের চালক ও হেলপারকে মারধরের প্রতিবাদে বাস শ্রমিকেরা মহাসড়কে অবরোধ করেন
- 📌 মঙ্গলবার দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ ছিল; পরে পুলিশের সহায়তায় মহাসড়ক থেকে বাস সরানো হলেও শ্রমিকেরা পুনরায় অবরোধ করেন
- 📌 সোমবারও বাস ও মাহিন্দ্রা শ্রমিকদের দ্বন্দ্বের জেরে তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল
- 📌 বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশাররফ হোসেন জানান, হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে
- 📌 মাহিন্দ্রা শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, বাস শ্রমিকরা তাদের মারধর করে এবং লোকাল বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে বরিশালের রহমতপুর এলাকায় অভ্যন্তরীণ রুটের একটি বাসের চালক ও হেলপারকে মারধরের ঘটনা ঘটে। প্রতিবাদে নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় মহাসড়কে বাস রেখে অবরোধ করেন শ্রমিকেরা। ফলে ঝালকাঠী, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও বরগুনা থেকে রাজধানীগামী দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শত শত যাত্রী আটকে পড়েন।
বিকেল ৪টায় বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ পুলিশের সহায়তায় মহাসড়কের ওপর রেখে দেওয়া বাস সরিয়ে দিলেও কয়েক মিনিট পরে শ্রমিকেরা পুনরায় মহাসড়কে বাস রেখে দেন। ফলে যান চলাচল আবারও বন্ধ হয়ে যায়।
বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, "বাস শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে। আমরা হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।" তিনি জানান, সোমবারও বাস ও মাহিন্দ্রা শ্রমিকদের দ্বন্দ্বের জেরে তিন ঘণ্টা বাস চলাচল বন্ধ ছিল। পরে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও মঙ্গলবার পুনরায় সংঘাতের ঘটনা ঘটে।
অপরদিকে মাহিন্দ্রা শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, বাস শ্রমিকরা তাদের মারধর করে এবং লোকাল বাস আটকে বিক্ষোভ করেছেন। তারা জানান, "বাস মালিক সমিতির নৈরাজ্য বন্ধ না হলে লোকাল বাস চলাচল করতে দেব না।"
এ ব্যাপারে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাখাওয়াত হোসেন বলেন, দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর সমঝোতা হয়নি। বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দুই পক্ষের উপস্থিতিতে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
"দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল, রহমতপুর এলাকা, নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোশাররফ হোসেন (বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি), শাখাওয়াত হোসেন (ওসি, এয়ারপোর্ট থানা), মো. খলিল আহমেদ (বিভাগীয় কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ ঘণ্টা (সোমবারের ধর্মঘট), ৪ জন আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!