📌 বরিশালের বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের খাস জমিতে মহিষ চরানোর নামে মাসিক ২০০ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা মাঈনউদ্দিনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। প্রায় ৪৭৮টি মহিষের বিপরীতে মাসিক ৯৫ হাজার ৬০০ টাকা আদায়ের অভিযোগে ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষুব্ধ
বরিশাল ব্যুরো প্রতিবেদন: বরিশালের বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের লালচরের খাস জমিতে মহিষ চরানোর নামে মাসিক ২০০ টাকা চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে স্থানীয়রা ছাত্রদল নেতা মাঈনউদ্দিনের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। গত বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে তেঁতুলিয়া নদী পার হয়ে কয়েক শত নারী-পুরুষ বাউফল উপজেলা পরিষদের সামনে জড়ো হয়ে এই কর্মসূচি পালন করেন। পরে তারা শহর এলাকায় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের লালচরের খাস জমিতে মহিষ চরানোর নামে মাসিক ২০০ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা মাঈনউদ্দিনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে
- 📌 অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে তিনি এই চাঁদাবাজি শুরু করেন
- 📌 বর্তমানে ওই চরে প্রায় ৪৭৮টি মহিষ রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৯৫ হাজার ৬০০ টাকা চাঁদা আদায় করা হতো বলে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ
- 📌 মহিষ পালনকারী রেজাউল খান, ইদ্রিস দালাল, আলমগীর হাওলাদার ও সাইফুল শরীফ জানান, অতীতে এই খাস জমিতে বিনামূল্যে মহিষ চড়ানো হতো
- 📌 টাকা না দিলে মহিষ চরাতে বাধা দেয়া ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্তরা
📰 বিস্তারিত
বরিশাল ব্যুরো থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের লালচরের খাস জমিতে মহিষ চরানোর নামে মাসিক ২০০ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতা মাঈনউদ্দিনের বিরুদ্ধে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি চর মিয়াজান এলাকায় বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকেই তিনি এই চাঁদাবাজি শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় মহিষ পালনকারী রেজাউল খান, ইদ্রিস দালাল, আলমগীর হাওলাদার ও সাইফুল শরীফ জানান, অতীতে এই খাস জমিতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মহিষ চড়ানো হতো। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতি মহিষের জন্য মাসিক ২০০ টাকা চাঁদা দিতে গিয়ে প্রান্তিক খামারিদের জীবিকা সংকট দেখা দিয়েছে। টাকা না দিলে মহিষ চরাতে বাধা দেয়া ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে তারা অভিযোগ করেন।
রাজিয়া বেগম ও রোজিনা আক্তার নামের দুই গৃহবধূ বলেন, চরে মহিষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করা দরিদ্র পরিবারের পুরুষদের জন্য এখন মহিষ চরানোর জন্যও চাঁদা দিতে হচ্ছে। এতে তাদের পরিবার না খেয়ে থাকার অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার দাবি করেন।
"এই চাঁদাবাজির কারণে আমাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। চাঁদা না দিলে মহিষ চরাতে দেয়া হয় না, আবার ভয়ভীতি দেখানো হয়। সরকারের কাছে আমাদের দ্রুত বিচারের দাবি জানাচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাউফল, বরিশাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাঈনউদ্দিন (ছাত্রদল নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ টাকা (চাঁদা), ৪৭৮টি (মহিষ), ৯৫ হাজার ৬০০ টাকা (মাসিক আয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!