📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বারহাট্টায় আমন চাষে সারের অভাব: সরকারি বরাদ্দ না পেয়ে কৃষকদের বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে

বারহাট্টায় আমন চাষে সারের অভাব: সরকারি বরাদ্দ না পেয়ে কৃষকদের বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোনার বারহাট্টায় আমন চাষ শুরুর আগেই কৃত্রিম সার সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি বরাদ্দ পাওয়া না যাওয়ায় কৃষকরা বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। স্থানীয় ডিলারদের কাছেও পর্যাপ্ত সার মজুদ নেই বলে অভিযোগ উঠেছে

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় আমন চাষ শুরুর আগেই কৃত্রিম সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে মোট ১১ জন বিসিআইসি ও ২৪ জন বিএডিসি ডিলারের নামে সার বরাদ্দ থাকলেও গত ২০ আগস্ট পর্যন্ত কোনো ডিলারই সরকারি বরাদ্দকৃত সার সরবরাহ করেননি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বারহাট্টা উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে মোট ৩৫ জন ডিলারের নামে সার বরাদ্দ থাকলেও কোনো ডিলারই তা সরবরাহ করেননি
  • 📌 বিসিআইসি ডিলার রাধা রমন ট্রেডার্সের পরিচালক লিটন সাহা জানান, তাদের নামে ১৯ দশমিক ৯০ টন ডিএপি সারের বরাদ্দ থাকলেও এখনো সার আসেনি
  • 📌 বিএডিসি ডিলারদের নামে চলতি মাসে কোনো ডিএপি সারের বরাদ্দই দেওয়া হয়নি বলে জানান লিটন সাহা
  • 📌 স্থানীয় কৃষক মোফাজ্জল হোসেন খোকন মিয়া জানান, তিনি সরকারি মূল্যে সার না পেয়ে গোপালপুর বাজার থেকে টিএসপি সার ১ হাজার ৫০০ টাকা ও এমওপি সার ১ হাজার টাকা দরে কিনেছেন
  • 📌 এমওপি সারের বস্তায় লেখা রয়েছে ‘এই সার বিক্রির জন্য নয়’, এমন অভিযোগ করেন খোকন মিয়া

📰 বিস্তারিত

বারহাট্টা উপজেলায় আমন চাষ শুরুর আগেই কৃষকরা সারের তীব্র সংকটে পড়েছেন। উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে মোট ৩৫ জন ডিলারের নামে সার বরাদ্দ থাকলেও কোনো ডিলারই সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী সার সরবরাহ করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কৃষকরা জানান, প্রয়োজনের সময় সরকারি মূল্যে সার না পেয়ে তাদের বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে। এতে আমন চাষের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিসিআইসি ডিলার রাধা রমন ট্রেডার্সের পরিচালক লিটন সাহা জানান, তাদের নামে চলতি মাসে ১৯ দশমিক ৯০ টন ডিএপি সারের বরাদ্দ থাকলেও এখনো সার গুদামজাত করা হয়নি। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে সার আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান। অন্যদিকে, বিএডিসি ডিলারদের নামে চলতি মাসে কোনো ডিএপি সারের বরাদ্দই দেওয়া হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্থানীয় কৃষক মোফাজ্জল হোসেন খোকন মিয়া জানান, তিনি সরকারি মূল্যে সার না পেয়ে গোপালপুর বাজার থেকে টিএসপি সার ১ হাজার ৫০০ টাকা ও এমওপি সার ১ হাজার টাকা দরে কিনেছেন। তার অভিযোগ, এমওপি সারের বস্তায় লেখা রয়েছে ‘এই সার বিক্রির জন্য নয়’, যা সরকারি নির্দেশের বিরুদ্ধে বলে তিনি মনে করেন।

বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার জানান, বিষয়টি তিনি দেখছেন। তবে বারহাট্টা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানাকে একাধিকবার ফোন করেও তার কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। স্থানীয় কৃষক আরিফ মিয়া ও ফুল মিয়া সহ অনেক কৃষক জানান, সরকারি মূল্যে সার না পেয়ে তাদের বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে। এতে আমন চাষের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

"সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী দ্রুত সার সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বারহাট্টা উপজেলা, নেত্রকোনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিটন সাহা (ডিলার পরিচালক), মোফাজ্জল হোসেন খোকন মিয়া (কৃষক), সেলিনা আক্তার (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ জন (ডিলার), ১৯ দশমিক ৯০ টন (ডিএপি সার), ১ হাজার ৫০০ টাকা (টিএসপি সার), ১ হাজার টাকা (এমওপি সার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖