📌 ২৯ অক্টোবর থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার-২০২৬। ২০ টিরও বেশি দেশের পর্যটন সংস্থা, এয়ারলাইনস ও হোটেল অংশ নেবে এই তিনদিনব্যাপী মেলায়। মেলায় ৬০ হাজার সাধারণ দর্শনার্থীর উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে
বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ)-২০২৬ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে। এই তিনদিনব্যাপী মেলায় ২০ টিরও বেশি দেশের পর্যটন সংস্থা, এয়ারলাইনস, হোটেল ও ট্যুর অপারেটর অংশগ্রহণ করছে। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত এই মেলা বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৯ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার-২০২৬।
- 📌 ২০ টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন, যার মধ্যে রয়েছে নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান।
- 📌 মেলায় ২০০ টিরও বেশি বুথ ও স্টল থাকবে, যেখানে অংশ নেবেন ২২০ জন প্রদর্শক এবং ২৫০ জন সম্ভাব্য ক্রেতা।
- 📌 ৬০ হাজার সাধারণ দর্শনার্থী মেলা পরিদর্শন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
- 📌 টাইটেল স্পনসর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এয়ারলাইনস পার্টনার হিসেবে অংশ নিচ্ছে।
- 📌 বন ও পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
- 📌 ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বহরে ২১টি বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) পরিচালক (ট্রেড অ্যান্ড ফেয়ার) আবুল বাসেত বাবু বলেছেন, এই মেলা ‘এআই পাওয়ার্ড ট্যুরিজম, সাসটেইনেবল ডেস্টিনেশন’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি জানান, আগের ১৩টি আয়োজনের ধারাবাহিকতায় বিটিটিএফ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। এই মেলার মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটনকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরা, বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ানো এবং নতুন বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য রয়েছে।
টোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ জানান, তিন দিনের আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, ব্যবসায়িক বৈঠক (বি-টু-বি), সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। দর্শনার্থীরা মেলা থেকে বিশেষ মূল্যছাড়ে বিমান টিকিট, হোটেল বুকিং ও বিভিন্ন ট্যুর প্যাকেজ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। তিনি আরও বলেন, সেন্ট মার্টিন ও সুন্দরবন নিয়ে আলোচনা চলছে। পর্যটন খাতের বিভিন্ন বিষয়ে সরকারি দপ্তরগুলোর সঙ্গে যেসব জটিলতা রয়েছে, সেগুলো সমাধানে আলোচনা চলছে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের জেনারেল ম্যানেজার (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, পর্যটন ও অ্যাভিয়েশন খাতের উন্নয়নে শুধু পরিকল্পনা নয়, বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি জানান, বর্তমানে ১০টি দেশের ১৪টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা। আগামী পাঁচ বছরে লন্ডন, রোম, সিডনি, টরন্টো ও নিউইয়র্কে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঢাকার বিমানবন্দরে একক রানওয়ের কারণে উড়োজাহাজের অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয়, তৃতীয় টার্মিনালের কার্যকর ব্যবহার এবং ট্রানজিট যাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছেন।
"পর্যটন ও অ্যাভিয়েশন খাতের উন্নয়নে শুধু পরিকল্পনা নয়, বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন। এ জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের সমন্বিত প্রচেষ্টা জরুরি।"
মেলার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ টুরিস্ট পুলিশ ও এফবিসিসিআই। পাশাপাশি ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট প্লাটিনাম হসপিটালিটি পার্টনার হিসেবে অংশ নিচ্ছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল বাসেত বাবু, মোহাম্মদ হানিফ, মো. কামরুল ইসলাম, আবদুল আউয়াল মিন্টু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ টিরও বেশি দেশ, ২০০+ বুথ, ২২০+ প্রদর্শক, ২৫০+ ক্রেতা, ৬০ হাজার দর্শনার্থী, ২১টি বোয়িং উড়োজাহাজ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!