📌 ২৮ বছরের ইতিহাসের শেষ নিঃশ্বাস টানল ঢাকার প্রাচীন শপিং মল কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি। শৈশবের স্মৃতির জায়গা হিসেবে পরিচিত এই মলটি ১ অক্টোবর থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। স্মৃতিচারণে উঠে আসে ছেলেবেলার রঙিন স্কুলব্যাগ ও দইফুচকা খাওয়ার আনন্দময় মুহূর্ত
২৮ বছরের ইতিহাসের শেষ নিঃশ্বাস টানল ঢাকার প্রাচীন শপিং মল কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি। শৈশবের স্মৃতির জায়গা হিসেবে পরিচিত এই মলটি ১ অক্টোবর থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। স্মৃতিচারণে উঠে আসে ছেলেবেলার রঙিন স্কুলব্যাগ কেনার আনন্দ, বন্ধুদের কাঁধে ভর করে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ এবং চারতলায় দইফুচকা খাওয়ার আনন্দময় মুহূর্ত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ অক্টোবর থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় ঢাকার কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি শপিং মল।
- 📌 ২৮ বছর ধরে চলা এই মলের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ সালে শান্তিনগর-কাকরাইল মোড়ে।
- 📌 ২০ তলা ভবনের বেজমেন্ট ও চারতলায় শুরু হয়েছিল শপিং মলের যাত্রা, পরে ১৯৮টি দোকান নিয়ে চালু হয়।
- 📌 ১০ বছরের বেশি সময় ধরে ক্রেতা কমে যাওয়ায় বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- 📌 বাকী বিল্লাহ ওসমানী জানান, জায়গাটি বিক্রি করে হাসপাতাল বা ব্যাংক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার আলোচনা চলছে।
- 📌 শৈশবের স্মৃতি হিসেবে কর্ণফুলী মলকে স্মরণ করছেন লেখক জাহিন যাঈমাহ্ কবির।
📰 বিস্তারিত
শৈশবের স্মৃতির জায়গা হিসেবে পরিচিত ঢাকার কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি ১ অক্টোবর থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই মলটি শান্তিনগর-কাকরাইল মোড়ে অবস্থিত ছিল। লেখক জাহিন যাঈমাহ্ কবিরের মতে, ক্লাস ফাইভের সময় এই মলটি ছিল তাদের শৈশবের অন্যতম প্রিয় জায়গা। বন্ধুদের কাঁধে রঙিন স্কুলব্যাগ, ট্রলি, রেসিং কার, বারবি খেলনা — সবকিছুই ছিল এই মলের আকর্ষণ।
১৯৯৮ সালে ২০ তলা ভবনের বেজমেন্ট ও চারতলায় শুরু হয়েছিল কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির যাত্রা। কর্ণফুলী গ্রুপের মালিকানায় এই মলটি ছিল ঢাকার অন্যতম জনপ্রিয় শপিং মল। ক্যাপসুল লিফট, নিজস্ব জেনারেটর এবং শীতাতপনিয়ন্ত্রিত পরিবেশ ছিল এই মলের বিশেষত্ব। উপহারসামগ্রী, প্রসাধনী, শাড়ি, থ্রি-পিস, ছেলেদের পোশাক, গয়না এবং ফুডকোর্ট — সবকিছুই ছিল এক ছাদের নিচে।
শপিং মলটির দোকানমালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাকী বিল্লাহ ওসমানী জানান, ১০ বছরের বেশি সময় ধরে ক্রেতা কমে যাওয়ায় মার্কেটটি বন্ধের পথে। তিনি বলেন, মগবাজার-মালিবাগ উড়ালসড়ক নির্মাণের সময় যানজট এবং করোনা মহামারির কারণে দোকানগুলো বন্ধ হয়ে যায়। শুধু করোনা সময়েই শতাধিক দোকান বন্ধ হয়ে যায়। ক্রেতা না থাকায় দোকানমালিকেরা মার্কেট বন্ধ ও মালিকানা বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
"১০ বছরের বেশি সময় ধরে বেচাবিক্রি ধীরে ধীরে কমেছে। বেশ কয়েকটি কারণে মার্কেট ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে। শুধু করোনার সময়ই শতাধিক দোকান বন্ধ হয়ে যায়।"
বাকী বিল্লাহ ওসমানী আরও জানান, জায়গাটি বিক্রি করতে হাসপাতাল, ব্যাংক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শান্তিনগর-কাকরাইল মোড়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাহিন যাঈমাহ্ কবির, বাকী বিল্লাহ ওসমানী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ বছর, ১৯৮টি দোকান, ১০ বছর, ২০ তলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!