📌 বাংলাদেশ সরকার ভূমিক্ষয় ও পাহাড়ধস প্রতিরোধে বিন্না ঘাস ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে। বুয়েটের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত টেকনিক্যাল কমিটি এই ঘাসের উপযোগিতা যাচাই করছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী খাল খননের সময় এই ঘাস ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে
ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০২৬: বাংলাদেশ সরকার দেশজুড়ে ভূমিক্ষয় ও পাহাড়ধস প্রতিরোধে বিন্না ঘাস ব্যবহারের ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী খাল খননের সময় এই ঘাস ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকার ভূমিক্ষয় ও পাহাড়ধস প্রতিরোধে বিন্না ঘাস ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে
- 📌 বুয়েটের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলামের নেতৃত্বে টেকনিক্যাল কমিটি গঠন
- 📌 নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী খাল খননের সময় এই ঘাস ব্যবহারের পরিকল্পনা
- 📌 বিন্না ঘাসের শেকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে ভূমিক্ষয় রোধ করে
- 📌 থাইল্যান্ড, ভারত, চীনসহ বিভিন্ন দেশে এই ঘাস ভূমিক্ষয় প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম প্রায় দুই দশক ধরে বিন্না ঘাস নিয়ে গবেষণা করছেন। তার নেতৃত্বে সরকার একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেছে, যা এই ঘাসের উপযোগিতা যাচাই করবে। অধ্যাপক ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেন, "এই ঘাসের লম্বা মূল বা শেকড় খুব দ্রুত মাটির গভীরে ঢুকে, মাটিকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরে রাখে। যে কারণে প্রকৌশল বিদ্যায় এই ঘাস ব্যবহার করে রাস্তা ঘাট, পাহাড় ধ্বস, নদীর ভাঙনও রক্ষা করা হয়।"
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রিন্সিপাল এক্সপেরিমেন্টাল অফিসার মোহাম্মদ আব্দুর রহিম বিবিসি বাংলাকে বলেন, "এই ঘাস দেখতে সাধারণ হলেও এর ক্ষমতা অসাধারণ। এর শিকড় শুধু মাটিকে আঁকড়ে ধরেই রাখে না, বরং ভূমির স্তরগুলোকে একটি প্রাকৃতিক জালের মতো ধরে রাখে।"
বিশেষজ্ঞরা জানান, বিন্না ঘাসের শেকড় দুই থেকে তিন মিটার পর্যন্ত মাটির ভেতর প্রবেশ করতে পারে। এই ঘাস ভূমিক্ষয় রোধ, পাহাড়ধস প্রতিরোধ, নদীর ভাঙন নিয়ন্ত্রণ এবং রাস্তার বাঁধ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
"এই ঘাসের শেকড়গুলো অত্যন্ত লম্বা ও শক্তিশালী হয়। শেকড় দুই থেকে তিন মিটার কখনো কখনো চার মিটার পর্যন্ত মাটির ভেতর ভেদ করতে পারে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম (বুয়েট অধ্যাপক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় দুই দশক ধরে গবেষণা চলছে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!