📌 সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ঘোষণা করেন, অটোরিকশা চালানোর জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। ধানমণ্ডি লেকের উন্নয়ন প্রকল্পে ৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ের পাশাপাশি ব্যাটারিচালিত রিকশা মালিক-শ্রমিকরা সড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন
সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ঘোষণা করেছেন, নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে দ্রুত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর ধানমণ্ডি লেকের উন্নয়নকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এই কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অটোরিকশা চালানোর নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে ঘোষণা করেছেন সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
- 📌 ধানমণ্ডি লেকের উন্নয়ন প্রকল্পে ৮৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে, যেখানে ‘নজরুল মঞ্চ’ নির্মাণ ও লাইব্রেরি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
- 📌 ব্যাটারিচালিত রিকশা মালিক-শ্রমিকরা সড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি তাদের গাড়ি বন্ধ করা হয় বা চার্জিং পয়েন্টের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
- 📌 সোমবার (৫ অক্টোবর) ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকরা ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন, যার ফলে প্রেস ক্লাব এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়।
- 📌 বিক্ষোভের সময় কাকরাইল মোড়ে একটি বাসে ভাঙচুর ঘটে, যার ফলে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
- 📌 মালিক-শ্রমিকরা দাবি করেছেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ না করে চালকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বৈধ লাইসেন্স ও রোড পারমিটের আওতায় আনতে হবে।
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ধানমণ্ডি লেকের উন্নয়ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রকল্পের আওতায় লেকের সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিবেশের উন্নয়নের পাশাপাশি ‘নজরুল মঞ্চ’ নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও সেখানে লাইব্রেরি স্থাপনের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ থাকবে। তিনি বলেন, ধানমণ্ডির প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ, এলাকাবাসীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে এই প্রকল্প করা হচ্ছে।
ব্যাটারিচালিত রিকশা মালিক-শ্রমিক নেতারা ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ বা নির্বিচারে ডাম্পিং করা হলে ঢাকা অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তারা ঘোষণা দিয়েছেন, অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করবেন। মালিক-শ্রমিকদের দাবি, ব্যাটারিচালিত রিকশা পুরোপুরি বন্ধ না করে চালকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বৈধ লাইসেন্স ও রোড পারমিটের আওতায় আনতে হবে। তারা দাবি করেছেন, দীর্ঘদিন ব্যবসা করে আসা মালিকদের গাড়ি যাচাই করে বৈধতার সুযোগ দেওয়া উচিত।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ও মিছিল করে ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকরা। পরে তারা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হন। সেখানে প্রায় তিন ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। এতে প্রেস ক্লাব ও আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভের একপর্যায়ে কাকরাইল মোড়ে সদরঘাট-গাজীপুর রুটে চলাচলকারী ভিক্টর ক্লাসিক গোল্ড সিটি নামের একটি বাসে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে বাসের যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পথচারীরাও দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আন্দোলন ছেড়ে অটোরিকশা চালিয়ে সড়ক দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা কয়েকজন চালককে আন্দোলনকারীরা মারধর করেছেন বলেও জানা যায়।
"নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে দ্রুত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধানমণ্ডি লেক, ঢাকা, কাকরাইল মোড়, সদরঘাট-গাজীপুর রুট, জাতীয় প্রেস ক্লাব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ রবিউল আলম (সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী), ব্যাটারিচালিত রিকশা মালিক-শ্রমিক নেতারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৩ কোটি টাকা (ধানমণ্ডি লেক উন্নয়ন), ৬ অক্টোবর, ৫ অক্টোবর, ৩ ঘণ্টা (সড়ক অবরোধ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!