📌 সারা দেশের ৬৪ জেলায় আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপকে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি রোধে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সারা দেশের ৬৪ জেলায় আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, মাদক দমন এবং উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে। সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ এবং কার্যপ্রণালি বিধিমালার অধীনে এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশের ৬৪ জেলায় আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব পেয়েছেন ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ
- 📌 প্রতিটি জেলার দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, মাদক দমন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত থাকবেন তাঁরা
- 📌 প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে জেলা পর্যায়ে ব্যাপক দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটেছে
- 📌 জেলা পর্যায়ে সরকারি দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবেন দায়িত্বপ্রাপ্তরা
- 📌 নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো কর্মসূচিও তদারকি করবেন তাঁরা
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আজ বৃহস্পতিবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলায় পূর্ববর্তী সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে ব্যাপক দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটেছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, লুট করা অর্থের একাংশ বিদেশে পাচার হয়েছে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অর্থের অন্য অংশ দেশের ভেতরে মাদক ব্যবসা ও সামাজিক অবক্ষয়ের মতো ক্ষতিকর কাজে ব্যবহৃত হয়েছে।
এ অবস্থায় জেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং পুরোনো অপরাধ দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদানের জন্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি করবেন। প্রয়োজন হলে জেলার বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়ে পরামর্শও দিতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
"বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের বরাদ্দ কাগজে-কলমে থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট হয়েছে। অর্থের অন্য অংশ দেশের ভেতরে মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। এ অবস্থায় জেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সারা দেশের ৬৪ জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইকবাল হাসান মাহমুদ, আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, আবদুল আউয়াল মিন্টু, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, সাচিং প্রু, মো. শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, আব্দুল বারী, সুলতান সালাউদ্দিন, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, মো. রাজীব আহসান, মীর শাহে আলম, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, ইমরান খান চৌধুরী, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, মোহাম্মদ শামীম কায়সার, মো. জি কে গউছ, মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন, ৬৪ জেলা, ৫৫ অনুচ্ছেদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!