📌 কুমিল্লায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা দুই দশকের পুরোনো মামলায় জেএমবির তিন সদস্যকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নেতা মোস্তাফিজুর রহমান ও দুরুল হুদাকে ২০ বছর এবং তাঁর স্ত্রী খালেদা আক্তারকে ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়
কুমিল্লার একটি আদালত বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা দুই দশকের পুরোনো মামলায় জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) তিন সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন। রায়ে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার কলমিডাঙ্গা গ্রামের মো. মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মিন্টু ওরফে সামাদ ওরফে রাজীব এবং গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার চকপাড়া এলাকার মোহাম্মদ দুরুল হুদা ওরফে হাসানকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর আসামি দুরুল হুদার স্ত্রী খালেদা আক্তারকে আট বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লা আদালত বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা দুই দশকের পুরোনো মামলায় তিন জেএমবি সদস্যকে কারাদণ্ড দিয়েছেন
- 📌 মোস্তাফিজুর রহমান ও দুরুল হুদাকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
- 📌 খালেদা আক্তারকে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকায় ৮ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
- 📌 মামলাটি ২০০৬ সালের মার্চ মাসে কুমিল্লা নগরের বিষ্ণুপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে দায়ের করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
২০০৬ সালের মার্চ মাসের গভীর রাতে কুমিল্লা নগরের বিষ্ণুপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জেএমবি সদস্যদের কাছ থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই অভিযানে মোস্তাফিজুর রহমান, দুরুল হুদা ও তাঁর স্ত্রী খালেদা আক্তারকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় র্যাব সদর দপ্তরের হেফাজতে থাকা জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আবদুর রহমানের তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছিল বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযানের পর তৎকালীন র্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক মো. জয়নাল আবেদীন বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় আদালত ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষীদের জবানবন্দি, আসামিদের বক্তব্য, জব্দ তালিকা ও উদ্ধার করা সরঞ্জামের তথ্য বিশ্লেষণ করে আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
কুমিল্লা জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর কাইমুল হক রিংকু জানান, মামলাটি তৎকালীন সময়ে কুমিল্লায় ব্যাপক আলোচিত ছিল। আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে উপস্থাপিত সকল প্রমাণ পর্যালোচনা করে মোস্তাফিজুর রহমান ও দুরুল হুদাকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং খালেদা আক্তারকে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকায় ৮ বছর কারাদণ্ড প্রদান করেন। খালেদা আক্তারের সাজা নির্ধারণের ক্ষেত্রে তাঁর তিন সন্তান থাকা, স্বামী কারাগারে থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
"মামলাটি তৎকালীন সময়ে কুমিল্লায় ব্যাপক আলোচিত ছিল। আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে উপস্থাপিত সকল প্রমাণ পর্যালোচনা করে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ দুরুল হুদা, খালেদা আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন আসামি, ২০ বছর কারাদণ্ড, ৮ বছর কারাদণ্ড, ১৩ জন সাক্ষী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!