📌 ইরানের তেলবাহী তিনটি ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলায় দুটি অচল ও একটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, হামলা ছিল ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্তৃক মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের প্রতিশোধে। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘পিকঅ্যাক্স’ অভিযানের সম্ভাবনা উঠে এসেছে
ইরানের তেল পরিবহনের উপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশোধমূলক হামলায় ওমান উপসাগরে ইরানের তিনটি তেল ট্যাংকার আক্রান্ত হয়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্তৃক মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এই হামলা চালায়। মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারের মাধ্যমে আজ শনিবার ইরানের তেলবাহী জাহাজগুলোর উপর হামলা চালানো হয়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানান, ইরানের এই হামলার প্রতিশোধে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী তিনটি তেল ট্যাংকারে আক্রমণ করে। এর মধ্যে দুটি জাহাজ অচল করে দেওয়া হয় এবং তৃতীয়টি সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের তিনটি তেল ট্যাংকারে হামলা চালিয়ে দুটি অচল ও একটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে
- 📌 ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্তৃক মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের প্রতিশোধে এই হামলা চালানো হয়
- 📌 মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, ‘আইআরজিসির জন্য বার্তাটি স্পষ্ট করা উচিত’
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘পিকঅ্যাক্স’ অভিযানের সম্ভাবনা উঠে এসেছে
- 📌 ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের তেলবাহী তিনটি ট্যাংকারের মধ্যে দুটি অচল করে দেওয়া হয়েছে এবং তৃতীয়টি সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, এই জাহাজগুলো ছিল ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্তৃক পরিচালিত একটি অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কের অংশ। এই নেটওয়ার্কের অর্থায়ন ছিল আইআরজিসি ও তাদের ‘আঞ্চলিক মিত্রদের’। মার্কিন কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, ‘আইআরজিসির জন্য বার্তাটি স্পষ্ট করা উচিত। আপনারা যদি আমাদের দুটি জাহাজে হামলা করেন, তাহলে আমরা আপনাদের তিনটি জাহাজ ধ্বংস করে আরও বড় অর্থনৈতিক ক্ষতি করব। মার্কিন বাহিনীকে রক্ষা করতে আমরা দ্বিধা করব না। প্রয়োজন হলে ইরানের ছোট ও অরক্ষিত তেল পরিবহনের নৌবহর ধ্বংস করব।’
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের এই পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরকে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে চাপে রাখার চেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করে। প্রায় এক মাস দুই দেশের মধ্যে সরাসরি পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি তা আবার শুরু হয়েছে। এই যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বেড়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সংঘাতটিকে ‘ছোটখাটো বিষয়’ বলে মন্তব্য করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য অনুযায়ী, ‘পিকঅ্যাক্স’ পর্বতে শিগগিরই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এই যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। তবে হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
"আইআরজিসির জন্য বার্তাটি স্পষ্ট করা উচিত। আপনারা যদি আমাদের দুটি জাহাজে হামলা করেন, তাহলে আমরা আপনাদের তিনটি জাহাজ ধ্বংস করে আরও বড় অর্থনৈতিক ক্ষতি করব।" — অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওমান উপসাগর ও ইরানের খারগ দ্বীপের কাছে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি তেল ট্যাংকার, ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!