📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসরাইলের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়াই নেতানিয়াহু কীভাবে ক্ষমতায় আছেন?

ইসরাইলের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়াই নেতানিয়াহু কীভাবে ক্ষমতায় আছেন?

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 জুগান্তর ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরাইলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি, কিন্তু তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় আছেন। আরব ইসরাইলিদের জোটের ভূমিকা এবং নেতানিয়াহুর সম্ভাব্য সমঝোতা আলোচনার পাশাপাশি নতুন সরকার গঠনের সম্ভাব্য বিলম্বের কথা উঠে এসেছে

ইসরাইলের নির্বাচনে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি, কিন্তু তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় আছেন। নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ভোটার নেতানিয়াহুর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন, কিন্তু স্পষ্ট বিজয়ী না থাকায় তিনি আপাতত ক্ষমতায় রয়েছেন। অন্যদিকে, নির্বাচনী প্রচারে উপেক্ষিত থাকা আরব ইসরাইলিদের জোট সরকার গঠনে নির্ধারক ভূমিকা পালন করতে পারেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসরাইলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ২৭টি আসন পেয়ে সবচেয়ে বড় দল হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি — ৬১টি আসনের প্রয়োজন ছিল।
  • 📌 নেতানিয়াহুর জোটের সাথে নাফতালি বেনেটের ‘টুগেদার’ পার্টির সমঝোতা আলোচনা চলছে — ১১টি আসন যোগ দিলে জোটের আসন সংখ্যা ৬১ হবে।
  • 📌 নেতানিয়াহুবিরোধী দলগুলো আরব ইসরাইলিদের জোটের সঙ্গে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করলেও নেতানিয়াহুর দলের বিরোধী আভিগদর লিবারম্যান সংখ্যালঘু সরকার গঠনের বিরোধিতা করছেন।
  • 📌 সরকার গঠনের আলোচনা চলাকালীন নেতানিয়াহুই প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন — নতুন সরকার গঠন বা নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত।
  • 📌 ইসরাইলে নতুন যুদ্ধের আশঙ্কা উঠেছে — নেতানিয়াহু ইরান বা প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সংঘাত বাড়াতে পারেন।
  • 📌 নেতানিয়াহু ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন — নির্বাচনের পর দ্রুত স্থিতিশীল সরকার গঠনের জন্য।

📰 বিস্তারিত

ইসরাইলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি, কিন্তু তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় রয়েছেন। নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ভোটার নেতানিয়াহুর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। তবে স্পষ্ট বিজয়ী না থাকায় তিনি আপাতত ক্ষমতায় আছেন। অন্যদিকে, নির্বাচনী প্রচারে উপেক্ষিত থাকা আরব ইসরাইলিদের জোট সরকার গঠনে নির্ধারক ভূমিকা পালন করতে পারেন।

নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ২৭টি আসন নিয়ে সবচেয়ে বড় দল হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি — সরকার গঠনের জন্য ৬১টি আসনের প্রয়োজন ছিল। ফলে তিনি সাবেক প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের কোনো একটি দলকে নিজের পক্ষে টানার চেষ্টা করছেন। সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে নাফতালি বেনেটের ‘টুগেদার’ পার্টির নাম আলোচনায় এসেছে। বেনেটের দল ১১টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদি তারা নেতানিয়াহুর জোটে যোগ দেন, তাহলে আসনসংখ্যা ৬১ হবে, যা সরকার গঠনের জন্য যথেষ্ট।

নেতানিয়াহুবিরোধী দলগুলো নির্বাচনী প্রচারের পুরো সময়জুড়ে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন না করার অবস্থানে অনড় ছিল। তবে আরব দলগুলোর নেতারা তাদের সঙ্গে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। নেতানিয়াহুবিরোধী শিবিরের আরেক নেতা আভিগদর লিবারম্যান সংখ্যালঘু সরকার গঠনের ধারণাকে নাকচ করেছেন। তার মতে, এমন পরিস্থিতিতে ইসরাইলিদের আবার নির্বাচনে যাওয়া ভালো হবে।

গত সপ্তাহে ইসরাইলে নতুন যুদ্ধের আশঙ্কা উঠেছে। নেতানিয়াহু ইরান বা প্রতিবেশী কোনো দেশের সঙ্গে সংঘাত বাড়াতে পারেন। এ ধরনের উত্তেজনা সরকার গঠনের আলোচনা প্রভাবিত করতে পারে। কিংবা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির যুক্তি দেখিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের দাবি জোরালো হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর ক্ষমতায় থাকার মেয়াদ আরও বাড়তে পারে।

"ট্রাম্প চান, নির্বাচনের পর যত দ্রুত সম্ভব একটি স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য ইসরাইলি সরকার গঠিত হোক।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসরাইল, ওয়াশিংটন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, নাফতালি বেনেট, গাদি আইজেনকোট, আভিগদর লিবারম্যান, আইজ্যাক হারজগ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭টি আসন, ৬১টি আসন, ১১টি আসন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖