📅 ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় নবজাতক মৃত্যুবরণ: পরিবার দাবি দোষীদের শাস্তি

সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় নবজাতক মৃত্যুবরণ: পরিবার দাবি দোষীদের শাস্তি

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। পরিবার দাবি, সিজারিয়ান না করে স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা ও চিকিৎসকদের অবহেলায় শিশু মৃত্যুবরণ করে। হাসপাতাল ম্যানেজার বলেছেন, পরিবার আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে

সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসকদের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসা পদ্ধতির কারণে এক নবজাতকের মৃত্যু ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সিলেটে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী পরিবার দাবি, আল্ট্রাসোনোগ্রাম রিপোর্ট অনুযায়ী বাচ্চার ওজন সাড়ে তিন থেকে চার কেজি হওয়ায় সিজারিয়ান অপারেশন করা উচিত ছিল, কিন্তু চিকিৎসকরা স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা চালিয়ে শিশুকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুনামগঞ্জের উত্তর কলাউড়া গ্রামের এক পরিবারের নবজাতক সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসা অবহেলায় মৃত্যুবরণ করে।
  • 📌 আল্ট্রাসোনোগ্রামে বাচ্চার ওজন সাড়ে তিন থেকে চার কেজি হওয়ায় পরিবার সিজারিয়ান চাইলে, কিন্তু চিকিৎসকরা স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা চালিয়ে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।
  • 📌 প্রসবকালে শিশুর কাঁধ আটকে যাওয়ায় চিকিৎসকদের অপরিকল্পিত টানাটানিতে গলা, পিঠ ও মাথায় মারাত্মক জখম হয় এবং শ্বাসরুদ্ধ হয়ে শিশু মৃত্যুবরণ করে।
  • 📌 চিকিৎসকরা শিশুর মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে দুর্ব্যবহার করে এবং নিরাপত্তার অজুহাতে পরিবারকে হাসপাতাল কক্ষ থেকে বের করে দেন।
  • 📌 হাসপাতাল ম্যানেজার শফিক আহমদ বলেছেন, পরিবার যদি অভিযোগ থাকে, তবে তারা ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারেন।

📰 বিস্তারিত

সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে শুক্রবার এক নবজাতকের মৃত্যু ঘটে। ভুক্তভোগী পরিবার সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার উত্তর কলাউড়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রসূতিকে দুদিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরিবার জানান, আল্ট্রাসোনোগ্রাম রিপোর্ট অনুযায়ী বাচ্চার ওজন সাড়ে তিন থেকে চার কেজি হওয়ায় তারা শুরু থেকেই সিজারিয়ান অপারেশন করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা জানান যে মা ও শিশু উভয়েই সুস্থ আছেন এবং স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব।

পরিবার আরও অভিযোগ করেন, প্রসূতির গর্ভ থেকে নবজাতকের মাথা বের হলেও কাঁধ আটকে যায়। এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসকদের অপরিকল্পিত টানাটানির কারণে নবজাতকটির গলায়, পিঠে ও মাথায় মারাত্মক জখম হয় এবং শ্বাসরুদ্ধ হয়ে শিশুটি মারা যায়। পরবর্তীতে জটিলতা তীব্র আকার ধারণ করলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে খবর দেওয়া হয়, তবে ততক্ষণে নবজাতকের মৃত্যু হয়।

চিকিৎসকদের দুর্ব্যবহারও পরিবারের অভিযোগের অন্যতম বিষয়। শিশুর মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে চিকিৎসকরা পরিবারকে নিরাপত্তার অজুহাতে ধাক্কা দিয়ে হাসপাতাল কক্ষ থেকে বের করে দেন। এ ঘটনায় পরিবার দাবি করে, চিকিৎসকদের অবহেলা ও অনভিজ্ঞতা দোষী এবং তারা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

"আমরা শুরু থেকেই সিজারিয়ান করার অনুরোধ জানিয়েছিলাম, কিন্তু চিকিৎসকরা স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা চালিয়ে শিশুকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছেন। এতে আমাদের শিশুকে হারানোর পাশাপাশি মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতাল, সুনামগঞ্জের উত্তর কলাউড়া গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিশু, মা, পরিবার, চিকিৎসকরা, হাসপাতাল ম্যানেজার শফিক আহমদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সাড়ে তিন থেকে চার কেজি (বাচ্চার ওজন), শুক্রবার (ঘটনার তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖