📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

তুরাগ নদীতে ডুবে যাওয়া সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তার মৃত্যুতে ‘বন্ধু’ দীপের জিজ্ঞাসাবাদ: ‘তাহসিফ ঝাঁপ দিলেন, আমি পালিয়ে গেলাম’

তুরাগ নদীতে ডুবে যাওয়া সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তার মৃত্যুতে ‘বন্ধু’ দীপের জিজ্ঞাসাবাদ: ‘তাহসিফ ঝাঁপ দিলেন, আমি পালিয়ে গেলাম’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার তুরাগ নদীতে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কে এম তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় তার ‘বন্ধু’ আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, ‘কিছু লোকের ধাওয়ায় তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দিলেন, আমি পালিয়ে আসি’। পিবিআই মোটরসাইকেল উদ্ধার করে এবং ঘটনাস্থলকে মাদক কারবারির স্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে

ঢাকার তুরাগ নদীতে সাবেক বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) মৃত্যুর ঘটনায় তার ‘বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই’ আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন যে, ঘটনাস্থলে কথা বলছিলেন তারা যখন কিছু লোকের ধাওয়ায় তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন এবং তিনি পালিয়ে আসেন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গতকাল মোটরসাইকেল উদ্ধার করে এবং ঘটনাস্থলকে মাদক কারবারির স্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কে এম তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় তার ‘বন্ধু’ দীপ জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, ‘তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দিলেন, আমি পালিয়ে আসি’।
  • 📌 পিবিআই রাজবাড়ী ঘাট এলাকার ৫০ গজ দূরে টঙ্গীর মাজার বস্তি থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে, যা প্রাথমিকভাবে তাহসিফের বলে ধারণা করা হচ্ছে।
  • 📌 ঘটনাস্থল রাজবাড়ী ঘাট মাদকের স্পট হিসেবে পরিচিত; পুলিশ মনে করেন, মাদক কারবারিদের ধাওয়ায় তাহসিফ নদীতে পড়তে পারেন।
  • 📌 সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা যায়, তাহসিফের সঙ্গে দীপের দেখা হয়েছিল মঙ্গলবার রাতে উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে। উদ্ধার করা মোটরসাইকেলে কোনো নম্বর প্লেট ছিল না।
  • 📌 গতকাল ময়নাতদন্তের পর তাহসিফের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং উত্তরায় জানাজা শেষে দাফন করা হয়।

📰 বিস্তারিত

তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে তার ‘বন্ধু’ দীপ বলেছেন, “আমরা সেখানে কথা বলছিলাম। এ সময় কিছু লোক ধাওয়া করে। তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন। আর আমি পালিয়ে আসি।” দীপ আরও দাবি করেছেন যে, ধাওয়াকারীরা পুলিশের লোক ছিল। পিবিআই কর্মকর্তারা বলছেন, উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে তারা ধারণা করছেন, মোটরসাইকেলটি তাঁরই হবে।

পিবিআই সদর দপ্তরের আইন ও গণমাধ্যম শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ জানান, ঘটনাস্থল রাজবাড়ী ঘাট এলাকাটি মাদকের স্পট হিসেবে পরিচিত। মাদক কারবারিদের ধাওয়ায় তাহসিফ নদে পড়ে ডুবে যেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পিবিআই সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়, ঘটনাস্থল থেকে ৫০ গজ দূরে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় মোটরসাইকেলটি পাওয়া গেছে।

তাহসিফ গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উত্তরার বাসা থেকে বের হন। সেদিন দিবাগত রাত ১টা ৩৫ মিনিটে মাকে মুঠোফোনে বার্তা পাঠিয়ে জানিয়েছিলেন, বাসায় ফিরছেন। কিন্তু আর ফেরেননি। পরদিন বুধবার বিকেলে উত্তরখান থানা এলাকার রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তাহসিফ তাঁর মোটরসাইকেলটি সঙ্গে নিয়েছিলেন। মরদেহ উদ্ধারের পর পরিবার বলছিল, তাঁর মোটরসাইকেলটির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

"আমরা সেখানে কথা বলছিলাম। এ সময় কিছু লোক ধাওয়া করে। তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন। আর আমি পালিয়ে আসি"

সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের একটি গ্যারেজের সামনে তাহসিফের সঙ্গে দীপের দেখা হয়। তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে হাত মেলানোর পর আলাদা দুটি মোটরসাইকেলে করে সেখান থেকে চলে যান। উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটিতেও কোনো নম্বর প্লেট ছিল না।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার রাজবাড়ী ঘাট, তুরাগ নদী, টঙ্গীর মাজার বস্তি, উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কে এম তাহসিফ সাউরি (২৮), আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ, পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ বছর, ৫০ গজ, ১টা ৩৫ মিনিট, ১৮ নম্বর সেক্টর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖