📌 সিলেটের একটি মাদ্রাসার মুহতামিম ফয়জুল হক আদালতে স্বীকার করেছেন ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আরও অনেক শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে
সিলেটের একটি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক (মুহতামিম) ফয়জুল হক আদালতে স্বীকার করেছেন ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়। গত বৃহস্পতিবার জবানবন্দি দেওয়ার পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর মাদ্রাসাটি তালাবদ্ধ রয়েছে এবং শিক্ষক ও কর্মকর্তারা অনুপস্থিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার একটি মাদ্রাসার মুহতামিম ফয়জুল হক আদালতে স্বীকার করেছেন ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করা।
- 📌 আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে এবং পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
- 📌 মাদ্রাসা তালাবদ্ধ রয়েছে এবং শিক্ষক ও কর্মকর্তারা অনুপস্থিত। স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, মাদ্রাসায় আরও অনেক শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 অভিভাবকদের কথায়, শিশুদের প্রতি রাতে হুজুরের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হতো এবং তাদের সঙ্গে খারাপ কাজ করা হতো।
- 📌 শাহপরান থানার তদন্ত কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান বলেছেন, ফয়জুল হক শিশুদের ধর্ষণের কথা আদালতে স্বীকার করেছেন।
📰 বিস্তারিত
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার একটি মাদ্রাসার মুহতামিম ফয়জুল হক গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেছেন, ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ফয়জুল হকের বাড়ি সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় অবস্থিত।
ঘটনার পর মাদ্রাসাটি তালাবদ্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। তারা বলেছেন, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মাদ্রাসা থেকে অনুপস্থিত। অভিযোগ উঠেছে, শুধু এই দুই শিক্ষার্থী নয়, মাদ্রাসার আরও অনেক শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে এই অভিযোগের বিষয়ে।
অভিভাবকদের কথায়, কিছুদিন আগে মাদ্রাসার একটি শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে বলে। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি প্রকাশ পায়। ওই শিক্ষার্থীর বাবা বলেছেন, মাদ্রাসা বন্ধ হওয়ার পর তার ছেলে আর সেখানে যেতে চায় না। জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, প্রতি রাতে হুজুরের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হতো এবং তাদের সঙ্গে খারাপ কাজ করা হতো। শিশুদের ভয় দেখিয়ে তাদের কাউকে বলার অনুমতি দেয়া হতো না বলে অভিযোগ উঠেছে।
"প্রতি রাতে এক থেকে দুজন শিক্ষার্থীকে হুজুরের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হতো। সেখানে তাদের সঙ্গে খারাপ কাজ করা হতো। না গেলে মারধর করা হতো।"
শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুজিবুর রহমান বলেছেন, ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফয়জুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশু দুটি মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে চলে আসে এবং আর সেখানে যেতে চায় না। অভিভাবকদের জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায়, প্রতি রাতে হুজুরের কক্ষে যেতে হতো। না গেলে মারধর করা হতো এবং কক্ষে গেলে তাদের সঙ্গে খারাপ কাজ করা হতো।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট সদর উপজেলা ও জৈন্তাপুর উপজেলা, সিলেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফয়জুল হক (মুহতামিম), অভিভাবক, শিশু শিক্ষার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী দুই শিক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!