📌 সওজের সংস্কারকাজ ও ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়কের কারণে কুমিল্লায় প্রায় ২০ কিলোমিটার যানজট দেখা দিয়েছে। যাত্রী, পরিবহনশ্রমিক ও অ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হন
কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে সওজ বিভাগের সংস্কারকাজ ও ভারী বৃষ্টিতে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় শুক্রবার প্রায় ২০ কিলোমিটার যানজট দেখা দেয়। এতে যাত্রী, পরিবহনশ্রমিক ও অ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে চরম দুর্ভোগে পড়েন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সওজ বিভাগের সংস্কারকাজ ও ভারী বৃষ্টিতে মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে প্রায় ২০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়
- 📌 সংস্কারকাজ চলায় এক লেন দিয়ে উভয়মুখী যান চলাচলের কারণে যানজট দীর্ঘস্থায়ী হয়
- 📌 বিকেল ৫টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি
- 📌 সংস্কারকাজ চলায় চালকরা উল্টো পথে চলাচলের চেষ্টা করলে যান চলাচল আরও ব্যাহত হয়
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার সকাল থেকেই কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার আমতলী থেকে সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী পর্যন্ত ঢাকামুখী লেনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। পরে তা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। বিকেল ৫টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। কোথাও কোথাও যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করেছে।
হাইওয়ে পুলিশ ও সওজ সূত্রে জানা গেছে, আমতলী এলাকায় মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে সংস্কারকাজ চলায় চট্টগ্রামমুখী লেন দিয়ে উভয় দিকের যানবাহন চলাচল করছে। এর সঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহের ভারী বৃষ্টিতে সড়কে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ তৈরি হওয়ায় যান চলাচল আরও ধীর হয়ে পড়ে। এতে প্রতিদিনই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, কিছু চালক যানজট এড়াতে উল্টো পথে চলাচলের চেষ্টা করেন। এতে দুই দিকের যানবাহন মুখোমুখি হয়ে যান চলাচল আরও ব্যাহত হয়। গত দুই দিনে আমতলী এলাকায় অন্তত চারটি মালবাহী ট্রাক গর্তে আটকে যায়। পরে রেকার দিয়ে সেগুলো সরাতে গিয়ে দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ ছিল।
"শুক্রবার ছুটির দিনেও যদি মহাসড়কে এমন যানজট থাকে, তাহলে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়। জরুরি কাজে ঢাকায় যাচ্ছিলাম। পথে এমন দুর্ভোগে পড়ব, চিন্তাও করিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বশিরুল ইসলাম (বাসযাত্রী), মোশাররফ হোসেন (অ্যাম্বুলেন্সচালক), মো. আদনান ইবনে হাসান (সওজ উপবিভাগীয় প্রকৌশলী), আবদুল মমিন (হাইওয়ে থানার ওসি), মোহাম্মদ শাহিনুর আলম (পুলিশ সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ২০ কিলোমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!