📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিএনপির কিংবদন্তি নেতা হারিছ চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে পরিবারের আবেদন

বিএনপির কিংবদন্তি নেতা হারিছ চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে পরিবারের আবেদন

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিএনপির প্রভাবশালী নেতা হারিছ চৌধুরীর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার পরিবার আদালতের মাধ্যমে সত্য উন্মোচনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। মৃত্যুর পর পরিচয় গোপন রাখা এই নেতার জীবন ছিল রাজনৈতিক ক্ষমতার নির্মম পরিহাসের প্রতীক

ঢাকা: বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হারিছ চৌধুরীর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা এই নেতা জীবনের শেষ দিনগুলো কাটিয়েছেন সম্পূর্ণ গোপনে। মৃত্যুর পরেও তার পরিচয় গোপন রাখা হয়েছিল। ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর পর তার দেহ সাভারের কমলাপুর জালালাবাদ এলাকার জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যিন মাদরাসা কবরস্থানে দাফন করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হারিছ চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেন ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর
  • 📌 মৃত্যুর পর তার পরিচয় গোপন রাখা হয়েছিল 'প্রফেসর মাহমুদুর রহমান' নামে
  • 📌 পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে রিট দায়ের করে তার দেহাবশেষ পরীক্ষার আবেদন করা হয়
  • 📌 ২০২৪ সালের অক্টোবরে আদালতের নির্দেশে তার দেহাবশেষ উত্তোলন করা হয়
  • 📌 হারিছ চৌধুরী ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব

📰 বিস্তারিত

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হারিছ চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার পরিবার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। হারিছ চৌধুরী ছিলেন চারদলীয় জোট সরকারের ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। তার রাজনৈতিক জীবন ছিল বিভিন্ন বিতর্ক ও মামলার সঙ্গে জড়িত। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাসহ একাধিক মামলায় তার অনুপস্থিতিতেই সাজা ঘোষণা করা হয়।

২০০৭ সালের ১/১১-এর পটপরিবর্তনের পর হারিছ চৌধুরী আত্মগোপনে চলে যান। তারপর থেকে তার অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন গুজব ছড়ায়। কখনো বলা হতো তিনি লন্ডনে, কখনো ভারতে আবার কখনো ইরানে অবস্থান করছেন। মৃত্যুর পরেও তার পরিচয় গোপন রাখা হয়েছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে আইনি লড়াই শুরু হয় তার প্রকৃত পরিচয় উন্মোচনের জন্য।

হারিছ চৌধুরীর মেয়ে ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী আদালতে রিট দায়ের করেন। তিনি তার বাবাকে প্রকৃত পরিচয় ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হন। ২০২৪ সালের অক্টোবরে আদালতের নির্দেশে তার দেহাবশেষ উত্তোলন করা হয়। ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করা হয় যে মৃত ব্যক্তি আসলে হারিছ চৌধুরী।

"আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তার মৃত্যুর পরেও তার পরিচয় গোপন রাখা হয়েছিল। আমরা চাই তার প্রকৃত পরিচয় ফিরিয়ে দিতে।" — ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, সাভার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হারিছ চৌধুরী, ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর, ৩ সেপ্টেম্বর, ২১ আগস্ট, ১৩ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖