📌 সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার বিচার চেয়ে তাদের পরিবারের সদস্যরা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন। ২০১২ সালের হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন ১২৯তমবার পিছিয়ে দেওয়া হলে নতুন করে তদন্তের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে তাদের পরিবারের সদস্যরা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ট্রাইব্যুনালে এই আবেদন জমা দেওয়া হয়। এই ঘটনার সাথে জড়িত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ১২৯তমবার পিছিয়ে দেওয়া হলে পরিবার এই পদক্ষেপ নেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসা থেকে সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। সাগর তখন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক এবং রুনি এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ছিলেন।
- 📌 ঘটনার পরদিন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলানগর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে, পরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- 📌 ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল র্যাবের তদন্ত শুরু হয়, কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট র্যাবকে সরিয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠন করে। বর্তমানে এই টাস্কফোর্স তদন্ত করছে।
- 📌 সর্বশেষ ২৬ এপ্রিল হাইকোর্ট তদন্ত শেষ করতে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছে। নতুন করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
- 📌 পরিবারের সদস্যরা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের একটি ভাড়া বাসায় সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। সাগর সরওয়ার তখন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক এবং মেহেরুন রুনি এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার পরদিন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলানগর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে থানা পুলিশ মামলার তদন্ত শুরু করে, কিন্তু দুই মাসেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল তদন্তের দায়িত্ব র্যাবের কাছে দেওয়া হয়।
দীর্ঘ সময় ধরে তদন্তে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট র্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেয়। এই টাস্কফোর্সে অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত। বর্তমানে এই টাস্কফোর্সই সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত করছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ না হওয়ায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২৬ এপ্রিল তদন্ত শেষ করতে আরও ছয় মাস সময় দেওয়া হয়। নতুন করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন ১২৯তমবার পিছিয়ে দেওয়া হলে পরিবারের সদস্যরা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, আন্তর্জাতিক স্তরে এই মামলার বিচার হবে এবং সত্য উন্মোচিত হবে।
"আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিচারের জন্য অপেক্ষা করছি। আন্তর্জাতিক আদালতে এই আবেদন আমাদের শেষ উপায়। আমরা বিশ্বাস করি, সত্য অবশ্যই উন্মোচিত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (পশ্চিম রাজাবাজার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নওশের আলম রোমান, সাগর সরওয়ার, মেহেরুন রুনি, টাস্কফোর্স কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২৭ আগস্ট, ১২৯তমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৮ এপ্রিল, ২৬ এপ্রিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!