📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৩৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুরে বাঁশঝাড়ে ধর্ষণ: ৯ বছর বয়সী শিশু হাসপাতালে কাতরাচ্ছে, আসামি কারাগারে পাঠানো

রংপুরে বাঁশঝাড়ে ধর্ষণ: ৯ বছর বয়সী শিশু হাসপাতালে কাতরাচ্ছে, আসামি কারাগারে পাঠানো

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরে বাঁশঝাড়ে ৯ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ করে গ্রেপ্তার করা ইমারত হোসেনকে আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে। শিশুটি বর্তমানে হাসপাতালের শয্যায় কাতরাচ্ছে। ঘটনায় বিক্ষুব্ধ লোকজন ও পুলিশের সংঘর্ষের পর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়

রংপুরে বাঁশঝাড়ে ধর্ষণ করে গ্রেপ্তার করা আসামি ইমারত হোসেনকে আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে। ঘটনায় আক্রান্ত ৯ বছর বয়সী শিশুটি বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে কাতরাচ্ছে। শিশুটি ঘুম ভেঙে গেলেই মাকে জাপটে ধরছে আতঙ্কের কারণে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৯ বছর বয়সী শিশু রংপুরে বাঁশঝাড়ে ধর্ষণ করা হয়, বর্তমানে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে
  • 📌 ধর্ষক ইমারত হোসেন (৫১)কে আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে
  • 📌 ঘটনায় বিক্ষুব্ধ লোকজন ও পুলিশের সংঘর্ষে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়, পরে শান্ত করা হয়
  • 📌 শিশুটির বাবা বলেন, ‘এতটুকু শিশুর ওপর পাশবিক নির্যাতন কোনো মানুষ করতে পারে না’
  • 📌 ঘটনাস্থলে পুলিশের হস্তক্ষেপে ইমারতকে গ্রেপ্তার করা হয়, পরে আদালতে হাজির করা হয়

📰 বিস্তারিত

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে কাতরাচ্ছে ৯ বছর বয়সী শিশুটি। শিশুটি ঘুম ভেঙে গেলেই মাকে জাপটে ধরছে আতঙ্কের কারণে। শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন ইমারত হোসেন (৫১)। ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ইমারতকে শনিবার দুপুরে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন রংপুরের একটি আদালত। ইমারত রংপুর নগরের বাসিন্দা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে রাখা হয়েছে। হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান বলেছেন, শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ইমারত হোসেনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। ঘটনার পর শুক্রবার রাতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার নথিসূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে শিশুটি তার মায়ের সঙ্গে প্রতিবেশী এক নারীর বাড়িতে যায়। সেখানে তার মা কথাবার্তা বলছিলেন। মায়ের অগোচরে শিশুটি বাড়ির বাইরে রাস্তায় বের হয়। শিশুটিকে রাস্তায় একা পেয়ে ইমারত ফুসলিয়ে পাশের বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন। শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে ইমারত শিশুটিকে রাস্তায় স্বজনদের কাছে দিয়ে চলে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। বাড়িতে নিয়ে স্বজনেরা জিজ্ঞাসা করলে শিশুটি ঘটনাটি জানায়। পরে রাতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রতিবেশীদের সহায়তায় স্বজনেরা তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ইমারতকে খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়িতে আত্মগোপন করেন। জানতে পেরে বিক্ষুব্ধ লোকজন বাড়িটি ঘিরে ফেলে। পুলিশ সূত্র জানায়, রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে হারাগাছ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বিক্ষুব্ধ লোকজন ইমারতকে নিজেদের কাছে নেওয়া চেষ্টা করে। তাঁকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরে বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। বিক্ষুব্ধ লোকজন বিশৃঙ্খলা করতে থাকলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে পুলিশ স্থানীয় লোকজনকে বুঝিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে ওই বাড়িতে থাকা ইমারতকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে রংপুর সদরের কোতয়ালি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

"এতটুকু একটা শিশুর ওপর এমন পাশবিক নির্যাতন কোনো মানুষ করতে পারে! আমার ছোট্ট মেয়েটি শরীরে যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালের বেডে কষ্ট পাচ্ছে, কাতরাচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, হারাগাছ থানা, রংপুর সদর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমারত হোসেন (৫১), অশোক চৌহান (ওসি), সনাতন চক্রবর্তী (উপকমিশনার), শিশুটির বাবা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ বছর (শিশুর বয়স), ৫১ বছর (ইমারতের বয়স), ১০ টা (রাত), ৯৯৯ (জরুরি সেবা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖