📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুর হত্যাকাণ্ডে আসামিদের ডিএনএ মিলে গেলো খেজুরের বিচি ও শসার দাগে: পুলিশের নিশ্চয়তা

রংপুর হত্যাকাণ্ডে আসামিদের ডিএনএ মিলে গেলো খেজুরের বিচি ও শসার দাগে: পুলিশের নিশ্চয়তা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ খেজুরের বিচি, শসার অংশ ও সিগারেটের ফিল্টারে পাওয়া জৈবিক নমুনার সঙ্গে মিলে গেছে। পুলিশের গোয়েন্দা শাখা নিশ্চিত করেছে এই মিল

রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ খেজুরের বিচি, কামড় দেওয়া শসার অংশ ও সিগারেটের ফিল্টারে পাওয়া জৈবিক নমুনার সঙ্গে মিলে গেছে। রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এই তথ্য প্রথম আলোকে জানিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডিএনএ মিল: সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ খেজুরের বিচি, শসার অংশ ও সিগারেটের ফিল্টারে পাওয়া জৈবিক নমুনার সঙ্গে মিলে গেছে।
  • 📌 ফরেনসিক প্রমাণ: ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা ৩৫টিরও বেশি আলামতের মধ্যে খেজুরের বিচি, শসার অংশ ও সিগারেটের ফিল্টার ডিএনএ পরীক্ষায় আসামিদের মিলে গেছে।
  • 📌 জবানবন্দি: আসামিরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।
  • 📌 তদন্ত: হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা নমুনাগুলো ঢাকার সিআইডি ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়।

📰 বিস্তারিত

রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় ২১ আগস্ট রাতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চারজনের হত্যাকাণ্ডে জড়িত সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ মিলে গেছে। রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী প্রথম আলোকে জানান, ঢাকার সিআইডি ফরেনসিক ল্যাবে আসামিদের ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়েছে। সেখান থেকে প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা গেছে, খেজুরের বিচি, শসার অংশ ও সিগারেটের ফিল্টারে তাদের ডিএনএর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের পরে গণপতি চক্রবর্তীর শয়নকক্ষে খেজুরের বিচি, কামড় দেওয়া শসার অংশ ও সিগারেটের মুড়া পাওয়া গিয়েছিল। ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা এসব আলামতসহ বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার উদ্দেশে নেওয়া হয়। পরদিন ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকার সিআইডি কার্যালয়ে তাঁদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে ৩৫টির বেশি আলামত সংগ্রহ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ফল কাটার চাকু, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম, সিগারেটের শেষাংশ, নানরুটি, শসা, খেজুর, বেসিনের দাগ এবং নিহত শিশুর খাতায় পাওয়া একটি লেখাসহ বিভিন্ন আলামত রয়েছে। এসব আলামত কয়েক দফায় ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

গত ২১ আগস্ট রাতে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, কলেজপড়ুয়া মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ১২ বছরের ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর নগরের কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তাঁদের প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

"ঢাকার সিআইডি ফরেনসিক ল্যাবে ওদের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়েছে। সেখান থেকে প্রতিবেদন আজ হাতে পেয়েছি। আলামতে পাওয়া খেজুরের বিচি, শসা ও সিগারেটের অংশে তাদের ডিএনএর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়া, রংপুর জিলা স্কুল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সনাতন চক্রবর্তী (উপপুলিশ কমিশনার), সিদ্ধার্থ দাস, মুগ্ধ দাস, গণপতি চক্রবর্তী, প্রীতিলতা চক্রবর্তী, আগামী চক্রবর্তী, আয়ুশ চক্রবর্তী (১২), গোপীনাথ চক্রবর্তী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫টি আলামত, ২১ আগস্ট, ২০ সেপ্টেম্বর, ২১ সেপ্টেম্বর, ১৬৪ ধারা, ১২ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖