📌 রানা প্লাজা ভবন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সোহেল রানাসহ আট আসামির বিরুদ্ধে আজ মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করবেন ঢাকার বিশেষ আদালতের বিচারক তারিকুল কবীর। ভবনটির অতিরিক্ত তলা নির্মাণ ও অনুমোদনবহির্ভূত কার্যক্রমের কারণে ২০১৩ সালের ধসের ঘটনা ঘটে
ঢাকার বিশেষ আদালতের বিচারক বিএম তারিকুল কবীর আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রানা প্লাজা ভবন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সোহেল রানাসহ আট আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করবেন। এর আগে গত ১৬ আগস্ট রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করা হলেও প্রস্তুত না থাকায় তা পিছিয়ে ১ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভবনটির মালিক সোহেল রানা ছাড়াও আরও সাতজন আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করবেন বিচারক তারিকুল কবীর
- 📌 আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাভার পৌরসভার সাবেক মেয়র রেফাত উল্লাহ, উত্তম কুমার রায়, রফিকুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান, রাকিবুল হাসান রাসেল, ফারজানা ইসলাম ও আবদুল মোত্তালিব
- 📌 সোহেল রানা বর্তমানে রানা প্লাজা ধসের হত্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন, তাই তাকে আদালতে হাজির করা হবে
- 📌 মাহবুবুর রহমান ও ফারজানা ইসলাম পলাতক রয়েছেন
- 📌 মামলার বিচার চলাকালে সোহেল রানার বাবা আবদুল খালেক ও মা মর্জিনা খাতুন বেগমের মৃত্যু হলে তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
রানা প্লাজা ভবন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আট আসামির বিরুদ্ধে আজ রায় ঘোষণা করবেন ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বিএম তারিকুল কবীর। গত ১৬ আগস্ট নির্ধারিত রায় ঘোষণার দিন পিছিয়ে আদালত তা ১ সেপ্টেম্বর পুনর্নির্ধারণ করেন।
এ মামলায় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ভবনটির মালিক সোহেল রানা, সাভার পৌরসভার সাবেক মেয়র রেফাত উল্লাহ, উত্তম কুমার রায়, নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান রাসেল, সাবেক টাউন প্ল্যানার ফারজানা ইসলাম এবং লাইসেন্স পরিদর্শক আবদুল মোত্তালিব।
সোহেল রানা বর্তমানে রানা প্লাজা ধসের হত্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন বলে আদালতে তাকে হাজির করা হবে। অন্যদিকে মাহবুবুর রহমান ও ফারজানা ইসলাম পলাতক রয়েছেন। জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিদের আদালতে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
"রানা প্লাজা ভবন নির্মাণের সময় নকশা অনুমোদন, অতিরিক্ত তলা নির্মাণ ও পোশাক কারখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অনিয়মের কারণে ভবনটির কাঠামোগত স্থায়িত্ব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।"
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালের ১০ এপ্রিল সাভার পৌরসভা থেকে ছয়তলা শপিং কমপ্লেক্স হিসেবে ভবনটির নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ২২ জানুয়ারি আরও চারটি তলা নির্মাণের অনুমোদন চাওয়া হয়। এছাড়া ভবনটিতে পাঁচটি পোশাক কারখানা স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়, যা ছিল নকশা অনুমোদনের বাইরে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার বিশেষ আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিএম তারিকুল কবীর (বিচারক), সোহেল রানা (ভবন মালিক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ জন আসামি, ১ হাজার ১৩৬ জন নিহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!