📌 নলডাঙ্গা উপজেলায় একটি দোকানের মালিককে অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির দায়ে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভোলার দৌলতখান উপজেলায় ১৫ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় অবৈধ ওষুধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির দায়ে একটি দোকানের মালিককে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ রোববার বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড পেয়েছেন নলডাঙ্গা উপজেলার মেসার্স আলম স্টোরের মালিক আশরাফুল ইসলাম অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির দায়ে।
- 📌 জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে অবৈধ ওষুধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যগুলো।
- 📌 ভোলার দৌলতখান উপজেলায় পুলিশ ১৫ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।
- 📌 সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয় দু’জন যুবককে।
📰 বিস্তারিত
আজ রোববার বিকেলে নলডাঙ্গা উপজেলার পাটুল বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অংশগ্রহণকারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম হোসেন জানান, ভোক্তাদের নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের বিক্রয় বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানকালে মেসার্স আলম স্টোরে অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণ ও বিক্রির দায়ে দোকানের মালিক আশরাফুল ইসলামকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। জব্দকৃত পণ্যগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।
পাশাপাশি, ভোলার দৌলতখান উপজেলায় গতকাল শনিবার রাতে সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা থেকে ১৫ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। আজ রোববার তাদের ভোলার আদালতে হাজির করা হয়েছে।
"ভোক্তাদের নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের বিক্রয় বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নলডাঙ্গা উপজেলা (পাটুল বাজার), ভোলার দৌলতখান উপজেলা (সৈয়দপুর ইউনিয়ন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শামীম হোসেন, আশরাফুল ইসলাম, পুলিশ কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ হাজার টাকা (অর্থদণ্ড), ১৫ পিস ইয়াবা, ৭ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!