📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নিঝুমদ্বীপে ভূমিহীনদের ঠকানোর ষড়যন্ত্র: টাকার বিনিময়ে ফরম বিতরণে জড়িত নেতা আবদুল মালেক

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: হুমায়ুন কবির হুমায়ুন কবির
নিঝুমদ্বীপে ভূমিহীনদের ঠকানোর ষড়যন্ত্র: টাকার বিনিময়ে ফরম বিতরণে জড়িত নেতা আবদুল মালেক

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নিঝুমদ্বীপের আবদুল মালেক সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ভূমিহীনদের টাকার বিনিময়ে ফরম বিতরণ করছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, সদস্য সংগ্রহের নামে ১ হাজার ১০০ টাকা নেওয়া হয় এবং পরে আরও টাকা চাপানো হয়। উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে

নিঝুমদ্বীপের একটি স্থানীয় নেতা সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ভূমিহীনদের টাকার বিনিময়ে ভূমি বন্দোবস্তের ফরম বিতরণ করছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, আবদুল মালেক নিজস্ব অফিস খুলে কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ফরম বিতরণ ও সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ভূমিহীনদের নিয়ে সংগঠন গড়ে তোলার নামে টাকার বিনিময়ে ফরম বিতরণের এই কার্যক্রমে জড়িত আছেন মৃত আবদুল শহীদের ছেলে আবদুল মালেক (৭০)।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নিঝুমদ্বীপের আবদুল মালেক (৭০) সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ভূমি বন্দোবস্তের ফরম বিতরণ করছেন টাকার বিনিময়ে
  • 📌 ফরমের জন্য প্রতি সদস্যের কাছ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা নেওয়া হয় এবং পরে আরও ৪ হাজার টাকা চাপানো হয়
  • 📌 নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল মালেক নিজস্ব অফিস খুলে কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ফরম বিতরণ ও সংগ্রহ করছেন
  • 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল মালেকের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন
  • 📌 ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেছেন, হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সরকারি ভূমি বন্দোবস্ত কার্যক্রম বন্ধ

📰 বিস্তারিত

নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রামের আবদুল মালেক (৭০) দীর্ঘদিন ধরে ভূমিহীনদের নিয়ে কাজ করছেন। তিনি নিজস্ব অফিস খুলে কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ভূমিহীনদের জন্য ফরম বিতরণ ও জমা নেওয়ার কাজ করছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী সমীর উদ্দিন বলেন, মালেকের কর্মীরা বিভিন্ন মানুষের কাছে ফরম পৌঁছে দেন এবং পরে সংগ্রহ করেন। কেউ কেউ সরাসরি অফিসে গিয়ে ফরম জমা দিচ্ছেন।

কাপড় ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম (৫৫) জানান, মালেক তাঁকে ৫০টি ফরম দিয়েছিলেন। তিনি নিজের পরিবারের আট সদস্যের নামে আটটি ফরম জমা দিয়েছেন। প্রতিটি ফরমের জন্য তিনি ১ হাজার ১০০ টাকা করে দিয়েছেন। ফখরুল ইসলাম বলেন, বন্দোবস্তের কাজ শুরু হলে আরও ৪ হাজার টাকা করে দিতে হবে বলে তাঁকে জানানো হয়েছে।

সমাজকর্মী ফুয়াদ হোসেন অভিযোগ করেন, সহজ-সরল মানুষকে ফরম দিয়ে প্রথমে ১ হাজার ১০০ টাকা নেওয়া হয়। পরে অফিসের নারী কর্মীদের মাধ্যমে মুঠোফোনে কাজ এগোচ্ছে বলে আরও টাকা নেওয়ার অভিযোগ তিনি তুলেছেন। ফুয়াদ হোসেনের দাবি, এভাবে পুরো নিঝুমদ্বীপ থেকে ১ হাজার সদস্য সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে মালেকের নিজস্ব কর্মী রয়েছে।

"বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল মালেক নেতার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন। ভূমি অফিস মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।"

জাহাজমারা ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার কারণে নিঝুমদ্বীপে ভূমি বন্দোবস্ত কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ। মালেক নেতা যা করছেন, তা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয় এবং ভূমি অফিসের কোনো যোগাযোগ নেই।

অভিযুক্ত আবদুল মালেক বলেন, সরকার গৃহহীন মানুষকে ঘর ও জমি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তিনি ভূমিহীনদের সংঘবদ্ধ করে রাখছেন। সংগৃহীত ফরম সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, জমি দেওয়া না হলে সংগঠনের মাধ্যমে আন্দোলন করে দাবি আদায় করা হবে। টাকা নেওয়ার বিষয়টি সদস্যদের সঞ্চয় হিসেবে জমা নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড, বন্দরটিলা বাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল মালেক (৭০), ফখরুল ইসলাম (৫৫), ফুয়াদ হোসেন, সমীর উদ্দিন, হুমায়ুন কবির, রাসেল ইকবাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ বছর (আবদুল মালেক), ৫৫ বছর (ফখরুল ইসলাম), ৬ নম্বর ওয়ার্ড, ৫০টি ফরম, ১ হাজার ১০০ টাকা, ৪ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖