📌 নারায়ণগঞ্জের টানবাজারে কাস্টমস গোয়েন্দা অভিযানে ৮১.৬ টন অবৈধ কেমিক্যাল জব্দ করে। একই সঙ্গে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ৪৫ টন কেমিক্যালের অদৃশ্যতার তদন্ত শুরু হয়েছে। দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শুল্ক-কর ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে
নারায়ণগঞ্জের টানবাজারে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অভিযানে বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্ত আমদানি করা কেমিক্যালের অবৈধ বাজারজাতকরণের একটি বড় ঘটনা উন্মোচিত হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) অভিযানে মেসার্স এমআর ট্রেডার্সের গুদামে ৮১ দশমিক ৬ মেট্রিক টন কেমিক্যালের সন্ধান পাওয়ার পাশাপাশি, সিম ফেব্রিক্স লিমিটেডের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ৪৫ মেট্রিক টন কেমিক্যালের অদৃশ্যতার খোঁজে গোয়েন্দারা তদন্ত করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮১.৬ মেট্রিক টন কেমিক্যাল জব্দ: নারায়ণগঞ্জের টানবাজারে মেসার্স এমআর ট্রেডার্সের গুদামে সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইটসহ ৮১.৬ মেট্রিক টন কেমিক্যালের সন্ধান পেয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা। প্রতিষ্ঠানটি বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে।
- 📌 ৪৫ টন কেমিক্যালের অদৃশ্যতা: সিম ফেব্রিক্স লিমিটেড গত ১৭ অক্টোবর ভারত থেকে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ৪৫ মেট্রিক টন সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইটের মজুদ দেখাতে পারেনি। কাস্টমস গোয়েন্দা তদন্ত করছে যে, কেমিক্যালটি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়নি বরং খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে কিনা।
- 📌 গুদাম সিলগালা: বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মেসার্স এমআর ট্রেডার্সের গুদামটি সিলগালা করা হয়েছে।
- 📌 তদন্তের লক্ষ্য: জব্দকৃত কেমিক্যালের উৎস, আমদানি ও বাজারজাতকরণের তথ্য, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার এবং সরকারের শুল্ক-কর ফাঁকির পরিমাণ নিরূপণে তদন্ত চলছে।
📰 বিস্তারিত
নারায়ণগঞ্জের টানবাজারে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অভিযানে মেসার্স এমআর ট্রেডার্সের গুদামে সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইটসহ প্রায় ৮১.৬ মেট্রিক টন কেমিক্যাল ও অন্যান্য কাঁচামালের সন্ধান পেয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। পরে গুদামটি সিলগালা করা হয়। অন্যদিকে, সিম ফেব্রিক্স লিমিটেডের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি গত ১৭ অক্টোবর ভারত থেকে বন্ড সুবিধায় ৪৫ মেট্রিক টন সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইট আমদানি করেছিল। কিন্তু সরেজমিনে কেমিক্যালের মজুদ দেখাতে পারেনি। কাস্টমস গোয়েন্দা তদন্ত করছে যে, কেমিক্যালটি উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হয়নি বরং খোলাবাজারে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কিনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা কেমিক্যালের হদিস নেই এবং নন-বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের গুদামে বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল পাওয়া গেলেও সেগুলোর বৈধ কাগজপত্র নেই। এ দুই ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার, শুল্কমুক্ত কাঁচামালের অবৈধ বাজারজাতকরণ এবং রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
"বন্ড সুবিধায় আমদানি করা কেমিক্যালের উৎস এবং বাজারজাতকরণের তথ্য নিরূপণে তদন্ত চলছে। সরকারের শুল্ক-কর ফাঁকির পরিমাণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জের টানবাজার, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেসার্স এমআর ট্রেডার্স, সিম ফেব্রিক্স লিমিটেড
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১.৬ মেট্রিক টন (জব্দকৃত কেমিক্যাল), ৪৫ মেট্রিক টন (অদৃশ্য কেমিক্যাল), ১৭ অক্টোবর (আমদানি তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!