📌 লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জুয়েল হোসেন নীরবকে ছাত্রদল নেতা আবদুর রহমান শাহেদের নেতৃত্বে মারধর করা হয়। মোবাইল ব্যবসায়ের বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটে। শাহেদকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
লক্ষ্মীপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জুয়েল হোসেন নীরবকে হাসপাতালে মারধর করে ছাত্রদল নেতা আবদুর রহমান শাহেদকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনাটি ঘটে ২৫ অক্টোবর রাতে সাহাপুর এলাকায়। সেখানে জুয়েলের ওপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। পরে হাসপাতালে আবারও হামলা চালিয়ে তাকে লাঠি দিয়ে পেটানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ অক্টোবর বুধবার দুপুরে পুলিশ লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় ছাত্রদল নেতা আবদুর রহমান শাহেদকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।
- 📌 স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জুয়েল হোসেন নীরবকে ২৫ অক্টোবর রাতে সাহাপুর এলাকায় লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়।
- 📌 মামলায় শাহেদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, আর ৮ জন অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে দায়ের করা হয়েছে।
- 📌 মোবাইল ব্যবসায়ের বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটে। শাহেদকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় সোমবার সন্ধ্যায়।
📰 বিস্তারিত
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জুয়েল হোসেন নীরবকে ছাত্রদল নেতা আবদুর রহমান শাহেদের নেতৃত্বে মারধর করা হয়। ঘটনাটি ঘটে ২৫ অক্টোবর রাতে সাহাপুর এলাকায়। সেখানে জুয়েলের ওপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। পরে আহত অবস্থায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গেলে আবারও শাহেদের নেতৃত্বে তার ওপর হামলা চালানো হয়।
মঙ্গলবার রাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ শাহেদকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদ পারভেজ জানান, মামলার প্রধান অভিযুক্ত শাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জুয়েল হোসেন নীরব লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি। তিনি সাহাপুর এলাকার মো. শাহজাহানের ছেলে। অন্যদিকে, শাহেদ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাঞ্চানগর এলাকার ফিরোজ আলমের ছেলে। তিনি দালালবাজার ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক।
"মোবাইল ফোন কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে জুয়েল ও শাহেদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে রোববার রাতে সাহাপুর এলাকায় একটি বৈঠক হয়। সেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জুয়েলের ওপর হামলা চালান। এ সময় তাকে লাঠি দিয়ে পেটানো হয়। পরে আহত অবস্থায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসার জন্য জুয়েল লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গেলে শাহেদের নেতৃত্বে তার ওপর আবারও হামলা চালানো হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল, সাহাপুর এলাকা, লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুয়েল হোসেন নীরব, আবদুর রহমান শাহেদ, মো. ওয়াহিদ পারভেজ (ওসি), মো. শাহজাহান, ফিরোজ আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ অক্টোবর, ২৫ অক্টোবর, ১১ জন আসামি, ৮ জন অজ্ঞাতনামা আসামি, ৩ নম্বর ওয়ার্ড, ১ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!