📌 কুমারখালীতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক মাহবুবুল আহসান উল্লাসকে এমপি আফজাল হোসেনের পরিবারের সদস্যরা মারধর করে। আহত সাংবাদিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ জড়িতদের চিহ্নিত করেছে, কিন্তু দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক মাহবুবুল আহসান উল্লাসকে মারধর করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় কুন্ডুপাড়া এলাকায় এমপি আফজাল হোসেনের পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকের ওপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করে। আহত উল্লাসকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমারখালীতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট, বালু ও খোয়া ব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিক মাহবুবুল আহসান উল্লাস সংবাদ সংগ্রহের জন্য যান।
- 📌 এমপি আফজাল হোসেনের ছেলে শোভন ও চাচাতো ভাই আনোয়ারের নেতৃত্বে একদল লোক সাংবাদিকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং মারধর করে রক্তাক্ত করে।
- 📌 আহত সাংবাদিককে সহকর্মী সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার জানান, আগেই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তারা অবাধে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় তিনি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।
- 📌 কুমারখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি কে এম আর সাহিন দাবি করেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা না হলে থানা ঘেরাও ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি দেওয়া হবে।
- 📌 এমপি আফজাল হোসেনের সহধর্মিণী পরিচয়ে একজন জানান, তিনি দেশের বাইরে ওমরাহ পালনে রয়েছেন।
- 📌 থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, হামলার ঘটনাটি ঘটে, কিন্তু পুলিশের সংখ্যা কম থাকায় পুরোপুরি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়েছে, মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
- 📌 গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
কুমারখালী পৌরসভার কুন্ডুপাড়া এলাকায় সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিক মাহবুবুল আহসান উল্লাস সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে যান। সংবাদ সংগ্রহের সময় এমপি আফজাল হোসেনের পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। আহত সাংবাদিককে সহকর্মী সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার জানান, আগেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়ে কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা অবাধে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় তিনি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। তার চলে আসার পরপরই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
কুমারখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি কে এম আর সাহিন বলেন, এই ন্যক্কারজনক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তিনি দাবি করেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা না হলে থানা ঘেরাও, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার কর্মসূচি দেওয়া হবে। তারা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এমপি আফজাল হোসেনের মুঠোফোনে বক্তব্য জানতে গেলে তাঁর সহধর্মিণী পরিচয়ে একজন জানান, তিনি দেশের বাইরে ওমরাহ পালনে রয়েছেন।
থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, সংবাদ সংগ্রহের সময় বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে হামলার ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও পুলিশের সংখ্যা কম থাকায় পুরোপুরি ঠেকানো সম্ভব হয়নি। জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং মামলার প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুতই তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।
"কুন্ডুপাড়ায় একটি সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট, বালু ও খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আমি সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে যান। একপর্যায়ে এমপি আফজাল হোসেনের ভাই ও ভাতিজাদের নেতৃত্বে একদল লোক আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়েছে।" — মাহবুবুল আহসান উল্লাস
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমারখালী, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুবুল আহসান উল্লাস, ফারজানা আখতার, কে এম আর সাহিন, জামাল উদ্দিন, আফজাল হোসেনের পরিবার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২:৩০ (টার), ৪ (আসনের), ২৪ (ঘণ্টার), ১১ (দলের), ২০০ (মাইক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!