📌 কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় যুবদল নেতা আবু কাউছার হত্যার মামলা বাদী পাঁচ আসামির নাম দাবি করলেও পুলিশ গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাইয়ের নামেই মামলা নিতে অস্বীকার করায় হট্টগোল হয়। বিএনপি নেতারা ওসিকে চাপ দিলে ‘দরকার হলে এমপি-মন্ত্রীকে ডাকবো’ বলে হুমকি দেন।
কুমিল্লা মহানগরে যুবদল নেতা আবু কাউছার (৪৫) হত্যার মামলা বাদী পাঁচ আসামির নাম দাবি করলেও পুলিশ মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকার করায় কোতোয়ালি মডেল থানায় বিক্ষোভ ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া আসামিদের নাম বাদ দিয়ে মামলা নেওয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় আবু কাউছার হত্যার মামলা বাদী পাঁচ আসামির নাম দাবি করলেও পুলিশ মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকার করায় হট্টগোল
- 📌 বিক্ষোভকারীরা ঝাড়ু উঁচিয়ে হত্যার বিচার ও প্রকৃত আসামিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান
- 📌 বিএনপি নেতা খলিলুর রহমান ওসিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘দরকার হলে আমরা এমপি-মন্ত্রীকে ডাকবো’
- 📌 হত্যাকাণ্ডে প্রধান আসামি তৌহিদুল ইসলাম (৩৫) ও তাঁর ভাই তানজির আলম (৪৮) গ্রেপ্তার হলেও বাদী পাঁচ আসামির নাম দাবি করছেন
- 📌 নিহত কাউছার কুমিল্লা মহানগরের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের নেতা ছিলেন
📰 বিস্তারিত
রোববার দুপুরে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় আবু কাউছার হত্যার মামলা বাদী পাঁচ আসামির নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। বাদী কবির হোসেন (৪৫) পুলিশের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির সময় ওসিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমার ভাই মারা গেছে, বিচার পাচ্ছি না। মামলা নিচ্ছে না পুলিশ।’ তিনি দাবি করেন, পুলিশ যাঁদের গ্রেপ্তার করেছে, সেই দুই ভাইয়ের নামেই মামলা নিয়ে তদন্তের মাধ্যমে অন্য আসামিদের শনাক্ত করার কথা বলছিল।
এই সময় থানার সামনে বিক্ষোভকারীরা ঝাড়ু উঁচিয়ে হত্যার বিচার ও প্রকৃত আসামিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। বিএনপি নেতারা ওসির কক্ষে প্রবেশ করে হট্টগোলের সৃষ্টি করেন। মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান ওসিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘কারও কথায় মামলা হতো না। দরকার হলে আমরা এমপি-মন্ত্রীরে আনামু।’
গত শুক্রবার দুপুর ১২টায় কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ছত্রখিল এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আবু কাউছারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। কাউছার কুমিল্লা নগরের কাপ্তানবাজার এলাকার আবদুল মান্নানের ছেলে। তিনি কুমিল্লা মহানগরের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডে প্রধান অভিযুক্ত তৌহিদুল ইসলাম ওরফে তৌহিদ (৩৫) ও তাঁর বড় ভাই তানজির আলম (৪৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘যুবদল নেতা কাউছার হত্যার ঘটনায় তাঁর ভাইয়ের করা মামলা কোতোয়ালি মডেল থানায় রুজু হয়েছে। মামলায় মূল ঘাতক তৌহিদসহ দুজন এজাহারনামীয় আসামি।’ তবে বাদী পাঁচ আসামির নাম দাবি করায় পুলিশের সঙ্গে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
"কারও কথায় মামলা হতো না। দরকার হইলে আমরা এমপি-মন্ত্রীরে আনামু"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা, কুমিল্লা মহানগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু কাউছার (৪৫), কবির হোসেন, খলিলুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম (৩৫), তানজির আলম (৪৮), মো. আনিসুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ (কাউছারের বয়স), ৩৫ (তৌহিদের বয়স), ৪৮ (তানজিরের বয়স), ৪ (ওয়ার্ড নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!