📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছেলে হত্যাকাণ্ড: ‘আইফোনের জন্য একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে ফেলেছি, বিচার চাই’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছেলে হত্যাকাণ্ড: ‘আইফোনের জন্য একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে ফেলেছি, বিচার চাই’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগম ও তার স্বামী ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান অপ্রতিমের লাশ লালমাই পাহাড়ের জঙ্গলে উদ্ধার করা হয়েছে। মাথায় আঘাতের চিহ্ন থাকায় হত্যাকাণ্ডের সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। পরিবার বিচারের দাবি জানিয়েছে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগম ও তার স্বামী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিমের লাশ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গলে উদ্ধার করা হয়েছে। মাথায় আঘাতের চিহ্ন থাকায় হত্যাকাণ্ডের সন্দেহে একজনকে আটক করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এই দুঃখজনক ঘটনায় পরিবার দুঃখে ডুবে পড়েছে এবং বিচারের দাবি জানিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগম ও তার স্বামী ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান অপ্রতিমের লাশ লালমাই পাহাড়ের জঙ্গলে উদ্ধার করা হয়েছে
  • 📌 মাথায় আঘাতের চিহ্ন থাকায় হত্যাকাণ্ডের সন্দেহে একজনকে আটক করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে
  • 📌 নাহিদা বেগম বলেছেন, ‘আমার একটাই মাত্র ছেলে। আমি কী নিয়ে বাঁচব? আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দাও। অপ্রতিম আমার বুকের মানিক, তোকে ছাড়া কীভাবে বাঁচব, বাবা’
  • 📌 ফিরোজ শাহরিয়ার বলেছেন, ‘আমার ছেলেটা আইফোনের জন্য হত্যা করা হলো। আমি তার বিচার চাই’
  • 📌 অপ্রতিমের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী জাহান বলেছেন, ছেলেটি ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে তাদের বিদ্যালয়ে পড়ত এবং পড়াশোনায় ভালো ছিল

📰 বিস্তারিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগম ও তার স্বামী ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিমের লাশ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গলে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় একজনকে আটক করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে। নাহিদা বেগম ও ফিরোজ শাহরিয়ার দুঃখে ডুবে পড়েছেন। তারা বলেছেন, তাদের একমাত্র সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে এবং তারা বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

নাহিদা বেগম বলেছেন, ‘আমার একটাই মাত্র ছেলে। আমি কী নিয়ে বাঁচব? আমার ছেলেকে খুন করলি কেন? আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দাও। অপ্রতিম আমার বুকের মানিক, তোকে ছাড়া কীভাবে বাঁচব, বাবা। আমার ছোট্ট ছেলেটাকে অনেক কষ্ট দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর সময় ছেলেটা কীভাবে ছটফট করেছিল, কে জানে। আমার তো সব শেষ হয়ে গেল। এখন আমি কী নিয়ে বাঁচব। যারা আমার ছেলেকে খুন করেছে, আমি তাদের বিচার চাই।’

অপ্রতিমের বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার বলেছেন, ‘অপ্রতিম ছিল আমাদের পৃথিবী। তাকে নিয়েই আমাদের সাজানো সংসার। কিন্তু সামান্য একটি আইফোনের জন্য আমার ছেলেটা আজ পৃথিবীতে নেই। কেন আমার ছেলেটাকে এভাবে হত্যা করা হলো, আমি তার বিচার চাই।’

ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, শুক্রবার দুপুরে তিনি ছেলেকে খাবার খাইয়েছিলেন। এরপর ছেলেকে বাইরে না যেতে বলেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি ওকে দুপুরে খাবার খাইয়েছি। পরে বললাম, “বাবা, তুমি আজ বাইরে যেয়ো না। আমরা একসঙ্গে একটু ঘুরব, মুভি দেখব বাসায়। বিকেলে তোমাকে একটা ভালো গিফট দেব।” কিন্তু সে বলল, বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে যাবে। এরপর চলে গেল। এরপর আর ছেলে ফিরে আসেনি।’

"বাবা, তুমি আজ বাইরে যেয়ো না। আমরা একসঙ্গে একটু ঘুরব, মুভি দেখব বাসায়। বিকেলে তোমাকে একটা ভালো গিফট দেব।"

অপ্রতিমের বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী জাহান বলেন, অপ্রতিম ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে তাদের বিদ্যালয়ে পড়ত। এখন সপ্তম শ্রেণিতে ছিল। পড়াশোনায় ভালো ছিল। একটু চুপচাপ, মিশুক ও শান্ত স্বভাবের ছেলে ছিল। বিদ্যালয়ে অপ্রতিমকে কখনো কোনো ঝামেলায় জড়াতে দেখা যায়নি। সহপাঠীদের কাছ থেকেও তার সম্পর্কে নেতিবাচক কিছু শোনা যায়নি। অপ্রতিমের এমন মৃত্যু তার সহপাঠী ও বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীদেরও গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকা, কোটবাড়ি এলাকার গন্ধমতী (দক্ষিণ বাগমারা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাহিদা বেগম, কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার, ইশায়াত শাহরিয়ার (অপ্রতিম), ফেরদৌসী জাহান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (একজন আটক), ৭ম শ্রেণি (অপ্রতিমের শ্রেণি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖