📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:০০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুমিল্লায় টিকটক ভিডিও তৈরির আড়ালে অস্ত্রধারী কিশোর গ্যাংয়ের মহড়া: ২০টি দল সক্রিয়, ২৫০ জনেরও বেশি জড়িত

কুমিল্লায় টিকটক ভিডিও তৈরির আড়ালে অস্ত্রধারী কিশোর গ্যাংয়ের মহড়া: ২০টি দল সক্রিয়, ২৫০ জনেরও বেশি জড়িত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুমিল্লায় টিকটক ভিডিও তৈরির আড়ালে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে কিশোর গ্যাং। গত মে মাসে ১০০-১৫০ জন কিশোর ২০টি গ্যাংয়ে বিভক্ত হয়ে অস্ত্রের মহড়া দেয়। অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার কিশোরদের সাথে গ্যাংয়ের সংযোগ উন্মোচিত হয়েছে

কুমিল্লা শহরে টিকটক ভিডিও তৈরির আড়ালে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে কিশোর গ্যাং। গত মে মাসে কাপ্তানবাজার, বৌবাজার, চানপুর ও সংরাইশ এলাকায় ১০০ থেকে ১৫০ জন কিশোর ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে রামদা, চাপাতি ও লাঠি নিয়ে মহড়া দেয়। তাদের সামনে উচ্চ শব্দ করে চলা মোটরসাইকেলের সাথে এই অস্ত্রধারী মিছিলের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কুমিল্লা কোটোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, এই গ্যাংয়ের নাম ‘ক্রাইম সেটআপ’। বর্তমানে শহরে অন্তত ২০টি গ্যাং সক্রিয় রয়েছে এবং চলতি বছরের সাড়ে আট মাসে ২৫টি অপরাধের ঘটনায় তাদের সদস্যদের নাম এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কুমিল্লায় টিকটক ভিডিও তৈরির আড়ালে ১০০-১৫০ জন কিশোর অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে
  • 📌 গ্যাংয়ের নাম ‘ক্রাইম সেটআপ’ এবং বর্তমানে শহরে ২০টি গ্যাং সক্রিয়
  • 📌 অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার কিশোরদের সাথে গ্যাংয়ের সংযোগ উন্মোচিত
  • 📌 ২০১৫ সাল থেকে কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের উপস্থিতি বেড়েছে, বর্তমানে ২৫০ জনেরও বেশি জড়িত
  • 📌 শিক্ষার্থীরা মৌন মিছিল করে গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা দাবি করছে

📰 বিস্তারিত

কাপ্তানবাজারের এক ব্যবসায়ী প্রথম আলোকে জানান, গত মে মাসের এক বিকেলে শুক্রবার সকালে গোমতী নদীর তীরের ভাটারপুকুর থেকে কাপ্তানবাজার পর্যন্ত এলাকায় কিশোরদের অস্ত্রের মহড়া দেখে ব্যবসায়ীরা ভয়ে দোকান বন্ধ করে দেন। পথচারীরাও আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি করছিলেন। ওসি তৌহিদুল আনোয়ার জানান, এই গ্যাংয়ের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে মহড়ায় নেমেছিল। অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৯ বছর বয়সী সাইফুল ইসলাম তুহিনও একটি গ্যাং গড়ে তোলার চেষ্টা করছিলেন। তিনি টিকটকের জন্য ভিডিও তৈরির আড়ালে অন্য কিশোরদের জড়ো করার চেষ্টা করছিলেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার অন্য তিন কিশোরের একজন তার সৌদিপ্রবাসী বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে আইফোন কিনেছিলেন। সেটি দিয়ে নিয়মিত টিকটকে পোস্ট করতেন। আরেক কিশোর মোটরসাইকেল কিনেছিলেন।

অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের ভূমিকা ও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ থেকেও। গত মঙ্গলবার ক্যাম্পাসে মৌন মিছিল করে তারা দাবি জানান। শিক্ষার্থীরা বলেন, অপ্রতিমের মা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগম সহকারী প্রক্টর থাকাকালে মাদকবিরোধী অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের পুলিশে সোপর্দ করেছিলেন। সেই ক্ষোভ থেকে তাঁর একমাত্র সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে কি না, সেটি তদন্ত করতে হবে।

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের উপস্থিতি সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হয়নি। ২০১৫ সাল থেকে বিষয়টি আলোচিত হয়ে আসছে। তখন তিন থেকে চারটি গ্যাং বেশি সক্রিয় ছিল। ২০২২ সালের দিকে গিয়ে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় কমপক্ষে ২০টি। তবে শাখা দল ও উপদল মিলিয়ে গ্যাংয়ের সংখ্যা অনেক বেশি। কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, গত বছরের ৩০ নভেম্বর তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পরে থেকে ২৫০ জনেরও বেশি কিশোর গ্যাংয়ের সাথে জড়িত।

"একদল কিশোর রামদা নিয়ে চিৎকার করতে করতে সড়কে মহড়া দিচ্ছিল। ভয়ে ব্যবসায়ীরা শাটার নামিয়ে দোকানের ভেতরে ঢুকে পড়েন। কাপ্তানবাজারের মানুষ প্রকাশ্যে এমন অস্ত্রের মিছিল আগে দেখেনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুমিল্লা (কাপ্তানবাজার, বৌবাজার, চানপুর, সংরাইশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি তৌহিদুল আনোয়ার, সাইফুল ইসলাম তুহিন, নাহিদা বেগম, মো. আনিসুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০-১৫০ জন কিশোর, ২০টি গ্যাং, ২৫টি অপরাধ, ২৫০ জনেরও বেশি জড়িত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖