📌 কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানখেতে উদ্ধারকৃত নিহত কিশোরীর ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে সিএনজি অটোরিকশা চালক মো. সুমন মিয়া (৩৫) আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মেয়েটিকে হত্যার পর অটোরিকশার ভেতরে তার পোশাক পাওয়া যায়
কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় ধানখেতে মরদেহ উদ্ধারকৃত কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে সিএনজি অটোরিকশা চালক মো. সুমন মিয়া (৩৫) শনিবার সন্ধ্যায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। বিচারক মমিনুল হকের নিকট জবানবন্দি গ্রহণের পর রাত আটটার দিকে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। পুলিশের পরিদর্শক মো. সাদেকুর রহমান প্রথম আলোকে জানান, সুমন মিয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩৫ বছর বয়সী সিএনজি অটোরিকশা চালক মো. সুমন মিয়া** কুমিল্লা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন এবং নিহত কিশোরীর ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।
- 📌 **গত বৃহস্পতিবার** লালমাই উপজেলার ভোরাজগৎপুর উত্তরপাড়ার ধানখেতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যেখানে মেয়েটির একটি পোশাক সিএনজি অটোরিকশার ভেতরে পাওয়া যায়।
- 📌 **মেয়েটি যশোরের বাসিন্দা** এবং সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। বাবার চাকরিসূত্রে তারা কুমিল্লা শহরে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
- 📌 **পুলিশের তথ্য** অনুযায়ী, মেয়েটিকে হত্যার পর সুমন মিয়া তাকে **পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে বাসায় ফেরার সময়** সিএনজি অটোরিকশায় নিয়ে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করেন।
- 📌 **চট্টগ্রাম থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার** করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে **বাখরাবাদ এলাকার পুকুরপাড়ের জঙ্গল থেকে মেয়েটির আইফোন উদ্ধার** করা হয়।
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার ভোরাজগৎপুর উত্তরপাড়ার একটি ধানখেতের আইলের পাশ থেকে নিহত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের অদূরে সিএনজি অটোরিকশা পাওয়া যায়, যেখানে মেয়েটির একটি পোশাক পাওয়া যায়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মেয়েটি সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে বাসায় ফেরার সময় সিএনজি অটোরিকশায় উঠেছিলেন। সুমন মিয়া তাকে নির্জন এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করেন বলে প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া যায়।
মামলায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লালমাই থানায় হত্যা মামলা করেন। পরের দিন শুক্রবার চট্টগ্রাম থেকে আসামি মো. সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাখরাবাদ এলাকার পুকুরপাড়ের জঙ্গল থেকে মেয়েটির ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়। শনিবার সকালে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, মেয়েটিকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সুমন মিয়ার এককভাবে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। আদালতের নির্দেশে রাত আটটার দিকে তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
"স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর আসামি সুমনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লালমাই উপজেলা, কুমিল্লা; পদুয়ার বাজার, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা; বাখরাবাদ, কুমিল্লা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সুমন মিয়া (৩৫), মমিনুল হক (বিচারক), মো. সাদেকুর রহমান (পুলিশ পরিদর্শক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ বছর (সুমন মিয়ার বয়স), ৬ নম্বর (আদালতের নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!