📌 ঢাকার কদমতলীতে শনির আখড়া এলাকায় ক্রোকারিজ দোকানে ব্যবসায়ীকে গুলি করার ঘটনায় গ্রেফতার আসামি মঞ্জুরুল ইসলামের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঞ্জুরুল দাবি করেছেন, তিনি গুলি করেননি এবং জসীম নামের ব্যক্তি গুলি চালিয়েছেন
ঢাকার কদমতলীতে শনির আখড়া এলাকায় একটি ক্রোকারিজ দোকানে ব্যবসায়ীকে গুলি করার ঘটনায় গ্রেফতার আসামি মঞ্জুরুল ইসলামের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন আংশিক মঞ্জুর করে এই রিমান্ড আদেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ৮টায় দক্ষিণ দনিয়া-শনির আখড়া এলাকার ক্রোকারিজ দোকানে ব্যবসায়ী মো. আসলাম খানকে গুলি করা হয়।
- 📌 মঞ্জুরুল ইসলামের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় দু’টি পিস্তল, নয়টি গুলি এবং একটি গুলির খোসা।
- 📌 গুলিবিদ্ধ আসলাম খানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
- 📌 মঞ্জুরুল ইসলাম দাবি করেছেন, তিনি গুলি করেননি এবং জসীম নামের ব্যক্তি গুলি চালিয়েছেন।
- 📌 মঞ্জুরুল দাবি করেছেন, তার পরিবারের সদস্যদের ছবি দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং মহাখালী থেকে সিএনজি অটোরিকশায় ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়।
- 📌 আদালতে উপস্থিত মঞ্জুরুলের মাথায় ব্যান্ডেজ দেখা যায়। তিনি দাবি করেছেন, তার শারীরিক অবস্থা ভালো নয় এবং রিমান্ডে নেওয়া হলে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৮টার দিকে দক্ষিণ দনিয়া-শনির আখড়া এলাকায় একটি ক্রোকারিজ দোকানে ব্যবসায়ী মো. আসলাম খানকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় মঞ্জুরুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের তথ্যমতে, মঞ্জুরুলের কাছ থেকে দু’টি পিস্তল, নয়টি গুলি এবং একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ আসলাম খানকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পুলিশের দাবি, মোটরসাইকেলে করে আসা দুই ব্যক্তি এ হামলায় অংশ নেয়।
কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অশোক কুমার সরকার বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন। মঞ্জুরুলকে গ্রেফতার দেখিয়ে গত রোববার কারাগারে পাঠানো হয়। একই দিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মিঠুন মণ্ডল তাকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানির জন্য আদালত মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।
মঞ্জুরুলকে আদালতে হাজির করা হলে তার মাথায় ব্যান্ডেজ দেখা যায়। তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আবেদন করেন। তবে আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। বিচারক বক্তব্য জানতে চাইলে মঞ্জুরুল নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি দাবি করেন যে তিনি গুলি করেননি, জসীম নামের অপর এক ব্যক্তি গুলি চালিয়েছেন। মোটরসাইকেল নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
মঞ্জুরুল আদালতকে জানান, তার স্ত্রী ও মেয়ের ছবি দেখিয়ে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং মহাখালী থেকে সিএনজি অটোরিকশায় ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। জসীমের সঙ্গে না গেলে তার পরিবারের ক্ষতি করা হবে বলেও তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। রিমান্ডের বিরোধিতা করে মঞ্জুরুল বলেন, তার শারীরিক অবস্থা ভালো নয় এবং তিনি মানসিক চাপে রয়েছেন। এ অবস্থায় রিমান্ডে নেওয়া হলে তার শারীরিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
"আমি গুলি করেনি, জসীম নামের ব্যক্তি গুলি চালিয়েছেন। মোটরসাইকেল নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে আমাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, কদমতলী, শনির আখড়া এলাকা, দক্ষিণ দনিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মঞ্জুরুল ইসলাম, মো. আসলাম খান, মাহবুব আলম, মিঠুন মণ্ডল, অশোক কুমার সরকার, জসীম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ দিনের রিমান্ড, ৫ সেপ্টেম্বর, ৮ সেপ্টেম্বর, ৮ টা, ৯টি গুলি, ২টি পিস্তল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!