📌 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. জোবায়েদ হোসেনের হত্যাকাণ্ড মামলায় ঢাকার ১৫তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা আদালত তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে। ৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে সাক্ষ্যগ্রহণ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. জোবায়েদ হোসেনের হত্যাকাণ্ড মামলায় ঢাকার ১৫তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা আদালত তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে। এই মামলায় আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে এবং ৯ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হবে সাক্ষ্যগ্রহণ। রোববার (৮ নভেম্বর) বিচারক মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে আদালত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মো. জোবায়েদ হোসেন হত্যাকাণ্ড মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে
- 📌 আসামিরা: বার্জিস শাবনাম বর্ষা, মো. মাহির রহমান ও ফারদীন আহম্মেদ আয়লান
- 📌 ৯ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হবে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ
- 📌 আসামি বর্ষার আইনজীবী এ আল মামুন রাসেল দাবি করেছেন, তার মক্কেলের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ নেই
- 📌 বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. ইশতিয়াক হোসাইন জিপু মামলায় আসামিদের পারস্পরিক যোগসাজশের কথা উল্লেখ করেছেন
📰 বিস্তারিত
৮ নভেম্বর ঢাকার ১৫তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা আদালতে বিচারক মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের শুনানিতে আসামি বার্জিস শাবনাম বর্ষার পক্ষে আইনজীবী এ আল মামুন রাসেল বলেছেন, তার মক্কেলের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, মামলায় ৪৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিলেও কেউ তার মক্কেলের সাথে ঘটনার সম্পর্ক দেখাতে পারেননি। তিনি আরও বলেছেন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু কেনার টাকা দেওয়া বা ঘটনাস্থলের অবস্থান জানিয়ে দেওয়ার অভিযোগের কোনো প্রমাণ তদন্ত সংস্থা উপস্থাপন করতে পারেনি।
রাসেল আরও জানিয়েছেন, আসামি ফারদীন আহম্মেদ আয়লানের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেছেন, বন্ধু মাহির রহমান তাকে ডেকে নেওয়ায় তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। মাহির তাকে বলেছিলেন, ভুক্তভোগীকে ভয় দেখানো হবে, কিন্তু হত্যার কোনো পরিকল্পনার কথা জানানো হয়নি। তিনি দাবি করেছেন, বন্ধুর ডাকে সেখানে যাওয়ার কারণে তাকে হত্যাকাণ্ডের দায়ে অভিযুক্ত করা যাবে না।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জহির হোসেন খান বলেছেন, ভুক্তভোগীকে হত্যার জন্য তিন আসামি পরিকল্পিতভাবে একসঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করা প্রয়োজন। বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. ইশতিয়াক হোসাইন জিপু মামলায় আসামিদের পারস্পরিক যোগসাজশের কথা উল্লেখ করেছেন।
"মামলায় ৪৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিলেও কেউ তার মক্কেলের সম্পৃক্ততার কথা বলেননি। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু কেনার টাকা দেওয়া কিংবা ঘটনাস্থলের অবস্থান জানিয়ে দেওয়ার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলোরও যথাযথ প্রমাণ তদন্ত সংস্থা উপস্থাপন করতে পারেনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার ১৫তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জোবায়েদ হোসেন (ভুক্তভোগী), বার্জিস শাবনাম বর্ষা, মো. মাহির রহমান, ফারদীন আহম্মেদ আয়লান, বিচারক মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম, আইনজীবী এ আল মামুন রাসেল, জহির হোসেন খান, মো. ইশতিয়াক হোসাইন জিপু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ আসামি, ৯ ডিসেম্বর ২০২৬, ৮ নভেম্বর, ১৫তম আদালত, ৩০২ ও ৩৪ ধারা, ৪৪ জন সাক্ষী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!