📌 হাইকোর্ট অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের পাসপোর্টে অতিরিক্ত গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন বাতিল করে দিয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় কূটনৈতিক পাসপোর্ট পাওয়ার পর সাধারণ পাসপোর্টের জন্য পুনরায় গোয়েন্দা যাচাইয়ের কোনো যুক্তি নেই
হাইকোর্ট অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের পাসপোর্টে অতিরিক্ত গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনকে অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন ঘোষণা করেছে। রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রায়ে বলা হয়েছে, বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র তাদের পরিচয় ও মর্যাদা যাচাই করে কূটনৈতিক পাসপোর্ট প্রদান করলেও অবসরের পর সাধারণ পাসপোর্টের জন্য পুনরায় গোয়েন্দা যাচাইয়ের কোনো যুক্তি নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাইকোর্ট রায়ে বলেছে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ও তাদের স্ত্রীদের সাধারণ পাসপোর্টের জন্য কোনো অতিরিক্ত গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন প্রয়োজন নেই
- 📌 ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্মারক অনুসারে, কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণকারীদের সাধারণ পাসপোর্টের জন্য দুটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল
- 📌 আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিলেও গোয়েন্দা ক্লিয়ারেন্স না পাওয়ার কারণে সাধারণ পাসপোর্ট পাননি
- 📌 রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় কূটনৈতিক পাসপোর্ট পাওয়ার পর সাধারণ পাসপোর্টের জন্য পুনরায় গোয়েন্দা যাচাইয়ের কোনো যুক্তি নেই
📰 বিস্তারিত
হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারক এবং তাদের স্ত্রীদের সাধারণ পাসপোর্টের জন্য কোনো অতিরিক্ত গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন প্রয়োজন নেই। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র তাদের পরিচয় ও মর্যাদা যাচাই করে কূটনৈতিক পাসপোর্ট প্রদান করে। ফলে অবসরের পর সাধারণ পাসপোর্ট পেতে পুনরায় গোয়েন্দা যাচাইয়ের শর্ত আরোপের যৌক্তিকতা নেই।
রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারক এবং তাদের স্ত্রী কূটনৈতিক পাসপোর্ট পাওয়ার অধিকারী। বিচারকের পদ থেকে অবসর বা পদত্যাগের পর ওই কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হয়। তবে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্মারক অনুসারে, কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণকারীদের সাধারণ পাসপোর্টের জন্য দুটি গোয়েন্দা সংস্থার সন্তোষজনক প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল।
আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন করলেও গোয়েন্দা ক্লিয়ারেন্স না পাওয়ার কারণে তাকে পাসপোর্ট দেওয়া হয়নি। এর ফলে তিনি বিদেশ সফরে যেতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়েন। পরে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের অনুমতিক্রমে হাইকোর্ট বিভাগের প্রোটোকল কর্মকর্তা মো. রোমান ভূঁইয়া প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন। রুল জারির পর শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুলের নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন।
"বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র তাদের পরিচয় ও মর্যাদা যাচাই করে কূটনৈতিক পাসপোর্ট প্রদান করলেও অবসরের পর সাধারণ পাসপোর্টের জন্য পুনরায় গোয়েন্দা যাচাইয়ের কোনো যুক্তি নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ ইমান আলী, বিচারপতি ফাহমিদা কাদের, বিচারপতি মো. আসিফ হাসান, মো. রোমান ভূঁইয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ সেপ্টেম্বর, ২২ আগস্ট, ৩ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!