📌 গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর ২০০ শয্যার হাসপাতালে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং স্থায়ী চিকিৎসক-কর্মীদের অভাবের কারণে বন্দীদের চিকিৎসা সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ। প্রায় ১২ হাজার বন্দীর মধ্যে রোগীদের জন্য কোনো স্থায়ী সমাধান না থাকায় তাদের জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর ২০০ শয্যার হাসপাতালে বন্দীদের চিকিৎসা সেবা সম্পূর্ণ অবহেলার মুখে পড়েছে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা কোটি টাকার আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং স্থায়ী চিকিৎসক-কর্মীদের অভাবের কারণে বন্দীদের জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে। প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানায়, গাজীপুরের চার-পাঁচটি কারাগারে প্রায় ১২ হাজার বন্দী রয়েছে, যাদের মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার-২-এর ২০০ শয্যার হাসপাতালে স্থায়ী চিকিৎসক, নার্স বা টেকনিশিয়ানের কোনো নিয়োগ নেই
- 📌 দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা কোটি টাকার এক্স-রে, আলট্রাসাউন্ডসহ যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার মুখে
- 📌 বন্দীদের জন্য কারাগারেই কোনো ‘প্রিজন ওয়ার্ড’ না থাকায় তাজউদ্দীন মেডিকেল হাসপাতালেও আলাদা সেবা নেই
- 📌 ২০১১ ও ২০১৩ সাল থেকে নির্মিত যন্ত্রপাতি বাক্সবন্দী অবস্থায় থেকে এখন নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে
- 📌 কারাগারে স্থায়ী চিকিৎসা সেবা বন্ধ থাকায় বন্দীদের জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর ২০০ শয্যার হাসপাতালটি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। নির্মাণের পর থেকে এই হাসপাতালে কোনো স্থায়ী চিকিৎসক, কনসালট্যান্ট, নার্স বা টেকনিশিয়ান নিয়োগ করা হয়নি। সাময়িকভাবে আসা চিকিৎসকদের দ্বারা বহির্বিভাগ চালানো হলেও অন্তর্বিভাগ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও, ২০১১ ও ২০১৩ সালে কোটি টাকার বিনিয়োগে কেনা এক্স-রে, আলট্রাসাউন্ডসহ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিগুলো বাক্সবন্দী অবস্থায় থেকে এখন নষ্ট হওয়ার মুখে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গাজীপুরের চার-পাঁচটি কারাগারে প্রায় ১২ হাজার বন্দী রয়েছে। তাদের মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। জরুরি চিকিৎসাসেবার অভাবে অনেক বন্দীর জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে। কারাগারেই নির্মিত এই হাসপাতালে কোনো স্থায়ী চিকিৎসা সেবা না থাকায় বন্দীদেরকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। কিন্তু সেখানে বন্দীদের জন্য কোনো ‘প্রিজন ওয়ার্ড’ না থাকায় তাদের সেবা পাওয়ার জন্য অতিরিক্ত সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও কারা কর্তৃপক্ষের সমন্বয়হীনতা ও প্রশাসনিক অবহেলার কারণে এই অবস্থা অব্যাহত রয়েছে। হাসপাতালটির জন্য পদ সৃষ্টি করা হলেও দুই দশকেও স্থায়ী নিয়োগ না হওয়া রাষ্ট্রের অপচয় ও অবহেলারই প্রমাণ।
"হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে কোনো মহলের বাধা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার অপচয় এবং একই সঙ্গে বন্দীদের চিকিৎসার অধিকার থেকে বঞ্চিত করার এ চিত্র কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কারাবন্দীরা, চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ শয্যা, ১২ হাজার বন্দী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!