📌 গাইবান্ধায় আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপন ও অন্য দুজনকে জাল জন্মসনদ তৈরি করে চার প্রাপ্তবয়স্ককে শিশু দেখিয়ে জামিন দেওয়ার অভিযোগে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচার বিভাগের নথি গায়েব ও কাটাকাটির ঘটনাকে 'দেশের কালো অধ্যায়' বলে উল্লেখ করা হয়েছে
গাইবান্ধা জেলায় জাল জন্মসনদ তৈরি করে চার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে শিশু দেখিয়ে জামিন দেওয়ার অভিযোগে আদালত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছে। বিষয়টি গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জিআরও মো. হকিকুল ইসলামের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাইবান্ধা জেলা বারের আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপনকে জাল জন্মসনদ ব্যবহার ও আদালতের নথি গায়েব করার অভিযোগে মামলা করার নির্দেশ
- 📌 অভিযোগে জড়িত তিনজন: আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপন, তার মুহুরি হাসান আলী ও গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের তৎকালীন জিআরও পুলিশ সদস্য আব্দুস সবুর
- 📌 শিশু আদালতের তদন্ত প্রতিবেদনে এই ঘটনাকে 'দেশের বিচার বিভাগের কালো অধ্যায়' বলে উল্লেখ করা হয়েছে
- 📌 গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সহকারীকে বাদী হিসেবে মামলা দায়েরের নির্দেশ
📰 বিস্তারিত
গাইবান্ধা জেলা বারের আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপনের বিরুদ্ধে চার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে শিশু দেখিয়ে জামিন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও, আদালতের নথি গায়েব ও আদেশের অংশবিশেষ কাটাকাটি করার অভিযোগও রয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ আমলি আদালতের বিচারক ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম গালিব হাসানের তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপনের সনদ বাতিল এবং তার মুহুরি হাসান আলীর নিবন্ধনপত্র বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ঘটনাকে দেশের বিচার বিভাগের জন্য 'কালো অধ্যায়' বলে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। গাইবান্ধা শিশু আদালত-২-এর বিচারক ও সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইফতেখার বিন আজিজ অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারীকে বাদী হিসেবে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের জন্য বলা হয়েছে।
এই ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে রয়েছে আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপন, তার মুহুরি হাসান আলী এবং গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের তৎকালীন জিআরও পুলিশ সদস্য আব্দুস সবুর।
"এ ঘটনাকে দেশের বিচার বিভাগের জন্য ‘কালো অধ্যায়’ বলে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাইবান্ধা জেলা, গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপন, বিচারক মোহাম্মদ ইফতেখার বিন আজিজ, জিআরও মো. হকিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক আসামি, ৩ জন অভিযুক্ত, ১৯ আগস্ট (তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!