📌 দীপ্ত টিভির কর্মকর্তা তানজিল জাহান তামিমের হত্যার মামলায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ ৯ জনের আসামি হওয়ার আবেদন ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত খারিজ করেছে। বাদী পক্ষের রিভিশন আবেদন প্রত্যাখ্যানের পর মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি বহাল রাখা হয়েছে। বাদী পক্ষ উচ্চ আদালতে আবেদন করার ঘোষণা দিয়েছে
দীপ্ত টিভির সম্প্রচার কর্মকর্তা তানজিল জাহান তামিমের হত্যার মামলায় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ নয়জনকে আসামি করার আবেদন ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১৩ খারিজ করেছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) আদালতের বিচারক জাহিদুল ইসলাম বাদী পক্ষের রিভিশন আবেদন প্রত্যাখ্যানের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেন। ফলে শেখ রবিউল আলমসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া আদেশ বহাল থাকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মন্ত্রী রবিউলসহ ৯ জনের আসামি হওয়া আবেদন খারিজ: দীপ্ত টিভির কর্মকর্তা তানজিল জাহান তামিমের হত্যার মামলায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ নয়জনকে আসামি করার আবেদন আদালত খারিজ করে দিয়েছে।
- 📌 বাদী পক্ষের রিভিশন আবেদন প্রত্যাখ্যান: ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১৩-এর বিচারক জাহিদুল ইসলাম বাদী পক্ষের রিভিশন আবেদন খারিজ করে আদেশ দেন।
- 📌 মামলা থেকে অব্যাহতি বহাল: আদালতের আদেশে শেখ রবিউল আলমসহ নয়জনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া আদেশ বহাল রাখা হয়েছে।
- 📌 বাদী পক্ষ উচ্চ আদালতে যাবেন: মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী আব্দুল আলীম জানান, তারা এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করবেন।
- 📌 তদন্তের শুরু থেকে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত: ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়, কিন্তু শেখ রবিউল আলমসহ নয়জনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না পাওয়ার কারণে তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।
📰 বিস্তারিত
দীপ্ত টিভির কর্মকর্তা তানজিল জাহান তামিমের হত্যার মামলায় বাদী পক্ষের রিভিশন আবেদন খারিজ করার মাধ্যমে আদালতের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত তামিমের বাবা সুলতান আহমেদ। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আবেদন করবেন। মামলার তদন্ত শেষে ঢাকা মহানগর উত্তর পিবিআইয়ের এসআই জাকারিয়া আলম ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, কিন্তু শেখ রবিউল আলমসহ নয়জনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।
২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি বাদী সুলতান আহমেদ আদালতে নারাজি আবেদন করেন। তিনি অব্যাহতির সুপারিশ পাওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরে মামলাটি অধিকতর তদন্তের আবেদন জানান। গত ৩ মার্চ ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ বাদীর নারাজি আবেদন নামঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে পিবিআইয়ের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করে শেখ রবিউল আলমসহ নয়জনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন আদালত। আদেশে বলা হয়, মামলাটি আরও তদন্তের প্রয়োজন নেই বলে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে।
২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর রাজধানীর হাতিরঝিল থানার মহানগর আবাসিক এলাকায় নিজেদের বাসায় হামলার শিকার হন তানজিল জাহান তামিম। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন তামিমের বাবা সুলতান আহমেদ হাতিরঝিল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্লেজেন্ট প্রপার্টিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১১ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়।
"আমরা এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব। মামলাটি আরও তদন্তের প্রয়োজন ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মহানগর দায়রা জজ আদালত-১৩, হাতিরঝিল থানা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ রবিউল আলম, সুলতান আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, জাকারিয়া আলম, আব্দুল আলীম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ জন আসামি, ১৩ জন অভিযুক্ত, ১৬ জনের নাম উল্লেখিত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!