📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুদকের আবেদনে আদালত জব্দের আদেশ: অধ্যাপক আবুল বারকাতের সম্পদ ও গাড়ি অবরুদ্ধ

দুদকের আবেদনে আদালত জব্দের আদেশ: অধ্যাপক আবুল বারকাতের সম্পদ ও গাড়ি অবরুদ্ধ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুদকের আবেদনে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির আদালত দুটি ফ্ল্যাটসহ ৪৯ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ২৯ লাখ টাকার গাড়ি জব্দের পাশাপাশি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন। অধ্যাপক আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক অনুসন্ধান চালাচ্ছিল

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুটি ফ্ল্যাটসহ ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দের পাশাপাশি ২৯ লাখ টাকার একটি প্রাইভেট কার এবং অধ্যাপক আবুল বারকাতের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন। এই আদেশের মাধ্যমে দুদকের অনুসন্ধানকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা রোধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ (দুটি ফ্ল্যাটসহ) এবং ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ও ১০ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলারের অস্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
  • 📌 ২৯ লাখ টাকার একটি প্রাইভেট কার এবং অধ্যাপক আবুল বারকাতের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
  • 📌 দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জব্দের আবেদন করেন।
  • 📌 অধ্যাপক আবুল বারকাত ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে দুদকের মামলায় জড়িত ছিলেন, যেখানে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ছিল।
  • 📌 ২০২৫ সালের ১০ জুলাই ধানমন্ডি এলাকায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে, পরে জামিন পেয়ে মুক্তি পান।

📰 বিস্তারিত

দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান প্রথম আলোকে জানান, দুদকের পক্ষ থেকে আবুল বারকাতের সম্পদ জব্দের আবেদন করা হয়। আদালত শুনানির পর এই আদেশ প্রদান করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ আবেদনে উল্লেখ করেন, ‘ড. আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কোম্পানিকে অবৈধভাবে ঋণ প্রদান করে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানে তাঁর নামে ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ও ১০ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলারের অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি সম্পদ স্থানান্তর করার চেষ্টা করছেন, যা রাষ্ট্রের ক্ষতির কারণ হতে পারে।’

অধ্যাপক আবুল বারকাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ছিলেন। তিনি একটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন এবং বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি দুদক তার বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করে মামলা করেন। পরে ২০২৫ সালের ১০ জুলাই পুলিশ তাকে ধানমন্ডি এলাকায় গ্রেপ্তার করে। তবে দুদকের মামলায় জামিন পেয়ে তিনি মুক্তি পান। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ব্যবসায়ী ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল।

"ড. আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ঋণ প্রদান করে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানে তাঁর নামে ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ও ১০ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলারের অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর, ধানমন্ডি এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক আবুল বারকাত, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ, আইনজীবী দেলোয়ার জাহান, জজ শাহজাহান কবির
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকা (স্থাবর সম্পদ), ২৯ লাখ টাকা (গাড়ি), ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা (অস্থাবর সম্পদ), ২৯৭ কোটি টাকা (আত্মসাতের অভিযোগ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖