📌 চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি চালানোর অভিযোগে পুলিশ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৪টি ফোন ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সুপার জানান, চক্রটি ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীদের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় করত
চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি চালানোর অভিযোগে পুলিশ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করত এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে হত্যার হুমকি দিত। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৪টি মুঠোফোন ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি চালানোর অভিযোগে ৭ জনকে গ্রেপ্তার
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৪টি ফোন ও ১টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
- 📌 হাটহাজারী, বায়েজিদ বোস্তামী ও খুলশী থানায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ২০ বছর বয়সী তরিকুল ইসলাম ও সর্ববয়স্ক ৪০ বছর বয়সী নুরুল আলম
- 📌 চাঁদাবাজি ছাড়াও শাকিলের বিরুদ্ধে অস্ত্র, হত্যাচেষ্টা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে
- 📌 পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও আগে গ্রেপ্তার হওয়া সন্ত্রাসীদের জিজ্ঞাসাবাদে চক্রটি শনাক্ত করা হয়
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি চালানোর অভিযোগে পুলিশ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতরা বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করত এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে হত্যার হুমকি দিত। গতকাল সোমবার রাত থেকে হাটহাজারী, বায়েজিদ বোস্তামী ও খুলশী থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে কামরুল হাসান ওরফে সাগর (২৫), মো. রিকু (২৫), আহমদুল্লাহ ওরফে মাসুম মেম্বার (৪০), আহমদ রেজা শাকিল (২৫), মো. মানিক (৪০), মো. তরিকুল ইসলাম ওরফে রোহিত (২০) এবং নুরুল আলম (৪০)। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৪টি মুঠোফোন ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, সম্প্রতি হাটহাজারীর আমানবাজার এলাকার একজন চিকিৎসককে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। চাঁদা না দিলে প্রাণে মেরে ফেলা এবং ‘১০০ জন পুলিশ পাহারায় থাকলেও রক্ষা করা যাবে না’ বলে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছিল। একইভাবে বড়দিঘীর পাড় এলাকার একজন ব্যবসায়ীকেও বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে চাঁদা দাবি ও হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
তদন্তে জানা গেছে, চক্রটি শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম ও পরিচয়কে অপকৌশল হিসেবে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করত। নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে বিদেশি নম্বর ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ফোন করে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হতো। পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, ব্যবসায়ী ও বিত্তবান ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে তাঁদের লক্ষ্যবস্তু করা এবং পরে সন্ত্রাসীদের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় করাই ছিল চক্রটির কৌশল।
গ্রেপ্তারকৃত আহমদ রেজা শাকিলের বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, অপহরণ, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও হত্যাচেষ্টাসহ মোট আটটি মামলা রয়েছে। মানিকের বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতির প্রস্তুতির দুটি মামলা রয়েছে। অন্য চার আসামির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
"চাঁদা না দিলে প্রাণে মেরে ফেলা এবং ‘১০০ জন পুলিশ পাহারায় থাকলেও রক্ষা করা যাবে না’ বলে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছিল"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম (হাটহাজারী, বায়েজিদ বোস্তামী, খুলশী থানা), ঢাকা (তেজগাঁও)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, আহমদ রেজা শাকিল, নুরুল আলম, কামরুল হাসান ওরফে সাগর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন গ্রেপ্তার, ৪টি ফোন ও অস্ত্র উদ্ধার, ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ১০০ জন পুলিশের উল্লেখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!