📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামে বিএনপি নির্বাচনী গণসংযোগে বাঁহাতি শুটারের গুলিতে নিহত সন্ত্রাসী সরোয়ার: এক বছর পরও শুটার অদৃশ্য

চট্টগ্রামে বিএনপি নির্বাচনী গণসংযোগে বাঁহাতি শুটারের গুলিতে নিহত সন্ত্রাসী সরোয়ার: এক বছর পরও শুটার অদৃশ্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় বিএনপির নির্বাচনী গণসংযোগে এক যুবক বাঁহাতি পিস্তল দিয়ে সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেনকে গুলি করে হত্যা করেন। এক বছর পরও শুটার শনাক্ত বা গ্রেপ্তার হয়নি। ঘটনায় ৩৯ জন গ্রেপ্তার হলেও মূল শুটার অদৃশ্য রয়েছেন।

চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার খন্দকারপাড়া এলাকায় বিএনপির নির্বাচনী গণসংযোগে এক যুবক বাঁহাতি পিস্তল দিয়ে সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেনকে গুলি করে হত্যা করেন। ঘটনাটি ঘটে গত ৫ নভেম্বর সন্ধ্যায়। এক বছর পরও শুটার শনাক্ত বা গ্রেপ্তার হয়নি। ঘটনায় ৩৯ জন গ্রেপ্তার হলেও মূল শুটারের পরিচয় এখনও অজানা রয়ে গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৫ নভেম্বর ২০২৫ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় বিএনপির নির্বাচনী গণসংযোগে বাঁহাতি পিস্তল দিয়ে সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
  • 📌 নিহত সরোয়ার হোসেন (বাবলা) পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ছিলেন এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী গণসংযোগে গুলি করা হয়।
  • 📌 ঘটনায় ৫ জন গুলিতে আহত হন এরশাদ উল্লাহ, যিনি বর্তমানে সংসদ সদস্য ও নগর বিএনপির আহ্বায়ক।
  • 📌 শুটারের বয়স অনুমান করা হয় ২০ থেকে ২৫ বছর। পুলিশের ধারণা, তিনি প্রশিক্ষিত ছিলেন।
  • 📌 ঘটনাস্থলে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না, ফলে শুটারের পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
  • 📌 সরোয়ার হত্যার তিন দিন আগে ‘সন্ত্রাসী’ মো. রায়হান তাকে হুমকি দিয়েছিলেন: “তোমার সময় শেষ। যা খাওয়ার, যেন খেয়ে নেন।”
  • 📌 ঘটনায় ৩৯ জন গ্রেপ্তার হলেও মূল শুটার অদৃশ্য রয়েছেন।
  • 📌 সরোয়ারের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা ছিল, যার মধ্যে হত্যা, চাঁদাবাজি অন্তর্ভুক্ত।

📰 বিস্তারিত

গত ৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার খন্দকারপাড়া এলাকায় বিএনপির নির্বাচনী গণসংযোগ চলছিল। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর সঙ্গে ছিলেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। স্লোগান ও প্রচারপত্র বিতরণের সময় এক যুবক পেছন থেকে গণসংযোগে থাকা সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেনকে ঘাড়ে পিস্তল ঠেকিয়ে পরপর তিনটি গুলি করেন। সরোয়ার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং পরে মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনায় এরশাদ উল্লাহ পাঁচটি গুলিতে আহত হন।

সরোয়ারের বাবা আবদুল কাদের জানান, সরোয়ারের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি সহ ১৫টি মামলা ছিল। তিনি বলেন, “বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী, তাঁর সহযোগী সাজ্জাদ হোসেন ও মো. রায়হান প্রায়ই সরোয়ারকে হুমকি দিতেন। ঘটনার তিন দিন আগে রায়হান সরোয়ারকে হুমকি দিয়েছিলেন: ‘তোমার সময় শেষ। যা খাওয়ার, যেন খেয়ে নেন।’”

আবদুল কাদের আরও বলেন, সরোয়ার একসময় বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর অনুসারী ছিলেন। কিন্তু বড় সাজ্জাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকায় দলের কিছু নেতা বিষয়টি ভালোভাবে নেননি। ঘটনার পরদিন তিনি বায়েজিদ বোস্তামী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলীসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়। তবে এখনও পর্যন্ত সাজ্জাদ, রায়হান ও বোরহানকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

পুলিশের তদন্তে জানা যায়, শুটারের বয়স ২০ থেকে ২৫ বছর এবং তিনি প্রশিক্ষিত ছিলেন। ঘটনাস্থলে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না, ফলে শুটারের পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ৩৯ জন, কিন্তু মূল শুটার অদৃশ্য রয়েছেন।

"আমার ভাই বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর অনুসারী ছিলেন। বিভিন্ন মিছিল-সমাবেশেও অংশ নিতেন। বিষয়টি বিএনপির কিছু নেতা ভালোভাবে নেননি। বড় সাজ্জাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে, বিএনপির এমন এক নেতা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন।"

ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্রও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশের ধারণা, শুটার পরিকল্পিতভাবে এমন জায়গা বেছে নিয়েছিলেন, যাতে তার পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বায়েজিদ বোস্তামী থানা, খন্দকারপাড়া, চট্টগ্রাম নগর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সরোয়ার হোসেন (বাবলা), আবদুল কাদের, এরশাদ উল্লাহ, মো. রায়হান, সাজ্জাদ আলী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ নভেম্বর ২০২৫, ৮ম আসন, ৩৯ জন গ্রেপ্তার, ১৫টি মামলা, ২০-২৫ বছর বয়স

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖