📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে ৪০ ভরি সোনা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর তিনি ছুটিতে চলে যান, পরে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত হন। অভিযোগে জড়িত মোহাম্মদ আলী ও তার ছেলে মো. নয়নকে জড়িত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। জেলা পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করেছে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে ৪০ ভরি সোনা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর তিনি এক মাসের ছুটি নিয়ে গ্রামে চলে যান, পরে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত হন। জেলা পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করেছে এবং অভিযোগে জড়িত থাকার দাবি করা হয়েছে মোহাম্মদ আলী ও তার ছেলে মো. নয়নের।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে মরা পাগলা নদীর কালীনগর ব্রিজের পাশে ৮ আগস্ট ৩টে বেলায় ৪০ ভরি গলিত সোনা ছিনতাই করা হয়।
- 📌 স্বর্ণের চালান রাজশাহী থেকে পাঠিয়েছিলেন নিঝুম, যিনি অভিযোগ করেন মোহাম্মদ আলী ও তার ছেলে নয়ন পুলিশ কনস্টেবল জাকিরকে ব্যবহার করে সোনা আত্মসাত করেছেন।
- 📌 জাকিরের মোবাইল কল রেকর্ডে দেখা যায়, ঘটনার আগে-পরে মোহাম্মদ আলী ও নয়নের সঙ্গে অসংখ্য কথা হয়েছে তার।
- 📌 ঘটনার পর জাকির এক মাসের ছুটি নিয়ে গ্রামে চলে যান, পরে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত হন।
- 📌 জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসির আরাফাত অনুসন্ধান পরিচালনা করছেন।
📰 বিস্তারিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার্স মেসে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে ৪০ ভরি সোনা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর তিনি এক মাসের ছুটি নিয়ে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দেবীপুর গ্রামে বাড়িতে চলে যান। ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগদান করলে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
গত ৮ আগস্ট বেলা ৩টে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের কালীনগর ব্রিজের পাশে স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। রাজশাহী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক ব্যবসায়ীর কাছে স্বর্ণ পাঠিয়েছিলেন নিঝুম নামের এক ব্যবসায়ী। স্বর্ণের চালানটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের চকআলমপুরে মোহাম্মদ আলীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. নয়নের বন্ধু জাকির হোসেন। স্বর্ণের চালানটি হস্তান্তরের পরপরই জাকির সাদাপোশাক পরিধান করে ওই স্বর্ণ হাতিয়ে নেন। ঘটনার পর ওই ব্যবসায়ী বিষয়টি নিঝুমকে জানান।
নিঝুমের অভিযোগ, তাঁর দুলাভাই মোহাম্মদ আলী ও ভাগনে মো. নয়ন পুলিশ কনস্টেবল জাকিরকে ব্যবহার করেছেন। জাকির অভিযানের নামে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৪০ ভরি স্বর্ণ হাতিয়ে তিনজনে ভাগ-বাঁটোয়ারা করেছেন। নিঝুমের ভাইয়ের রাজশাহীতে জুয়েলার্সের দোকান আছে। ব্যবসায়ীদের অর্ডার অনুযায়ী সেখান থেকে স্বর্ণ বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। নিঝুমের অভিযোগে পুলিশের পাশাপাশি আপন দুলাভাই ও ভাগনে জড়িত থাকায় মামলা করেননি বলেও জানিয়েছেন তিনি।
"নিঝুমের দুলাভাই মোহাম্মদ আলী ও ভাগনে মো. নয়ন এই স্বর্ণ আত্মসাৎ করতে কনস্টেবল জাকিরকে ঠিক করেছিলেন। মোহাম্মদ আলী স্বর্ণের চালানটি হস্তান্তরের পরপরই সাদাপোশাকে পুলিশ কনস্টেবল জাকির আরেকজনকে নিয়ে গিয়ে ওই স্বর্ণ হাতিয়ে নেন।"
জাকিরের মোবাইল কল রেকর্ড বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঘটনার আগে-পরে মোহাম্মদ আলী ও নয়নের সঙ্গে অসংখ্য কথা হয়েছে তার। ঘটনার দুই দিন আগে ৬ আগস্ট জাকির নয়নের সঙ্গে ১০ বার কথা বলেছেন। ৭ আগস্ট একই নম্বরে জাকির ও নয়নের ২৫ বার কথা হয়। একই দিন মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে জাকিরের কথা হয় ৭ বার। ঘটনার দিন ৮ আগস্ট জাকির ও নয়নের মধ্যে মোবাইলে কথা হয়েছে ১০ বার। একই দিন মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে জাকিরের কথা হয় ১১ বার।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, কালীনগর ব্রিজ, চকআলমপুর, দুর্গাপুর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেন, মোহাম্মদ আলী, মো. নয়ন, নিঝুম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ ভরি সোনা, ৮ আগস্ট, ৩ টা বেলা, ১০ বার, ২৫ বার, ৭ বার, ১১ বার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!