📌 বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সাত নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করেছে। তারা দাবি করে, তারা পূজার দাওয়াতে গিয়েছিল, কিন্তু পুলিশের অভিযানে তাদের হাত ধরে নেয়া হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে
বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সাত নেতা-কর্মীকে পুলিশের হাতে আটক করেছে। পুলিশের অভিযান চলাকালে তারা দাবি করে, তারা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলুর বাড়িতে লক্ষ্মীপূজার দাওয়াতে গিয়েছিলেন। তবে পুলিশের অভিযান চালিয়ে তারা সাতজনকে আটক করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় পুলিশ সাতজন নিষিদ্ধ দলের নেতা-কর্মীকে আটক করেছে।
- 📌 আটকদের মধ্যে রয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক জিএস মহিবুল আলম, পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য ওয়াজ করনী আকন ও গৌরনদী পৌরসভার ওয়ার্ড সভাপতি মাসুম সরদার।
- 📌 পুলিশের অভিযান চালিয়ে মামলা করা হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইনে।
- 📌 মামলায় সাতজন আটক ছাড়াও আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
- 📌 আটকদের দাবি, তারা পূজার দাওয়াতে গিয়েছিল, কিন্তু পুলিশের অভিযানে তাদের হাত ধরে নেয়া হয়।
📰 বিস্তারিত
গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈকত গুহ পিকলুর বাড়িতে গত রোববার সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপূজার দাওয়াতে সাতজন নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক জিএস মহিবুল আলম, পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য ওয়াজ করনী আকন, বাটাজোর ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য মিঠুন হালদার, গৌরনদী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মাসুম সরদার, মাহিলাড়া ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ হাওলাদার ও পৌর কমিটির সদস্য সজিব সরদার।
পুলিশের অভিযান চালিয়ে গৌরনদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. পারভেজ আহমেদ সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইনে মামলা করেছেন। মামলায় আটক সাতজন ছাড়াও সৈকত গুহ পিকলু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মনির হোসেন মিয়া, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়ের ইসলাম ভূঁইয়া, সাবেক পৌর কাউন্সিলর ইকতিয়ার হাওলাদার, ইউপি সদস্য মামুনুর রশিদ ওরফে মনু মোল্লা ও জসিম উদ্দিন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতা মনির মীর ও মেহেদী আকনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করছিলেন। তারা আসন্ন ডিসেম্বর মাসে দলীয় প্রধানের দেশে প্রত্যাবর্তন সফল করার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠকে মিলিত ছিলেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করলেও সাতজনকে আটক করা হয়। তবে আটকদের পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, তারা কোনো গোপন বৈঠকে ছিলেন না, বরং পূজার দাওয়াতে গিয়েছিলেন।
"আমাদের বাড়িতে লক্ষ্মীপূজার অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানে শুভাকাঙ্ক্ষীদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। বিএনপির কর্মীদের নৈরাজ্য সৃষ্টির পরে আমাদের ছয়জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।"
— সৈকত গুহ পিকলু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গৌরনদী উপজেলা, বরিশাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈকত গুহ পিকলু, মহিবুল আলম, ওয়াজ করনী আকন, মাসুম সরদার, পলাশ হাওলাদার, সজিব সরদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন আটক, ২৫ থেকে ৩০ জন আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!