📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আপিল বিভাগে জালিয়াতির অভিযোগে আইনজীবীকে তলব: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ৯টি মামলায় রায়ের পিছনে রহস্য

আপিল বিভাগে জালিয়াতির অভিযোগে আইনজীবীকে তলব: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ৯টি মামলায় রায়ের পিছনে রহস্য

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ৯টি মামলায় রায় জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। আপিল বিভাগ আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়াকে তলব করেছে এবং রায়ের পিছনে রহস্য খুঁজতে আদেশ দিয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, শুনানির প্রক্রিয়া ভেঙ্গে নতুন পিটিশনার যুক্ত করা হয়নি

আপিল বিভাগের বিচারপতিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ৯টি মামলায় রায় জালিয়াতির অভিযোগের পিছনে রহস্য খুঁজতে আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়াকে তলব করেছেন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) আদালতের আদেশে জানা গেছে, এই মামলাগুলোতে শুনানির প্রক্রিয়া ভেঙ্গে রায় দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আদালত বলেছেন, প্রয়োজনে বিচারপতিদের কাছ থেকেও বিষয়টি পরীক্ষা করবেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিষয়টি আদেশের জন্য রাখা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ৯টি মামলায় রায় জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 ২০২৩ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ৬০% নারী কোটা লঙ্ঘনের অভিযোগে রায় দিয়েছিলেন।
  • 📌 অভিযোগে বলা হয়েছে, মূল ৫৮ জন পিটিশনার বাদ দিয়ে ৬৪ জন নতুন সহ-পিটিশনার যুক্ত করা হয়নি।
  • 📌 শুনানির প্রক্রিয়া ভেঙ্গে একদিনের মধ্যে রায় দেওয়া হয়নি।
  • 📌 আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল দায়ের করেছে।
  • 📌 আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেছেন, প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলেও সেকশনে জটিলতা ছিল।

📰 বিস্তারিত

২০২০ সালের ৯১৯ নম্বর রিট মামলায় হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন দ্বৈত বেঞ্চ ২০২৩ সালের ১৬ অক্টোবর রায় ঘোষণা করেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৩’-এর ৭ নম্বর বিধি অনুযায়ী ৬০% নারী কোটা সঠিকভাবে অনুসৃত হয়নি। তাই তৎকালীন চূড়ান্ত ফলাফল বাতিল করা হয় এবং ৬ মাসের মধ্যে নতুন মেধা তালিকা প্রণয়ন করে রিটকারীদের নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, মূল ৫৮ জন পিটিশনার বাদ দিয়ে অতিরিক্ত ৬৪ জন নতুন সহ-পিটিশনার যুক্ত করার জন্য এফিডেভিট সম্পন্ন করা হয়নি। তবে তা নিয়মিত সেকশন প্রসেস, নাম তালিকাভুক্তকরণ বা বিবাদী পক্ষকে নোটিশ পাঠানো ছাড়াই ফাইল সরাসরি বিচারকের কাছে রেখে মাত্র একদিনের মধ্যে আবেদন মঞ্জুর ও শুনানি গ্রহণ করা হয়। মূল শুনানির মাত্র ৪ দিনের মাথায় হাইকোর্ট বিভাগ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ রয়েছে, ওই রায়ে মূল আবেদনকারীদের বাদ রেখে পরবর্তীতে যুক্ত হওয়া নতুন সহ-পিটিশনারদের পক্ষে আদেশ দেওয়া হয়।

আপিল বিভাগে শুনানিকালে নথিপত্রে দৃশ্যমান এই নজিরবিহীন দ্রুতি, প্রক্রিয়ার অনিয়ম ও জালিয়াতির চিত্র সামনে এলে আদালত তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, মূল পিটিশনারদের কিছু বাদ দেওয়া হয়েছিল, আবার কিছু যুক্তও হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আমি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছি, তবে সেকশনে কিছু জটিলতা ছিল। বৃহস্পতিবার আদেশের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।’

"মূল পিটিশনারদের কিছু বাদ দেওয়া হয়েছিল, আবার কিছু যুক্তও হয়েছিল। আমি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছি, তবে সেকশনে কিছু জটিলতা ছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগ, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া, বিচারপতি নাইমা হায়দার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯টি মামলা, ৫৮ জন মূল পিটিশনার, ৬৪ জন নতুন সহ-পিটিশনার, ৬০% নারী কোটা, ৬ মাসের মধ্যে নতুন মেধা তালিকা প্রণয়ন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖