📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে ভারতে পালানোর চেষ্টায় দুটি হত্যা মামলার আসামি ইদ্রিস আলী (৩৫) আজ মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১৮ ও ২০ আগস্টে দায়ের করা দুটি হত্যা মামলা রয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ভারতে পালানোর চেষ্টায় আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশ আজ মঙ্গলবার দুটি হত্যা মামলার আসামি ইদ্রিস আলী (৩৫)কে আটক করে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার আশুলিয়া থানার জামগড়া এলাকার বাসিন্দা ইদ্রিস আলী সকাল সাড়ে ১০টায় ছোট বোন ও ভাগিনাকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে আসেন। কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় তাঁর বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায় এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে আটক করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশ আজ মঙ্গলবার দুপুরে ইদ্রিস আলীকে আটক করে আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করেন।
- 📌 ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় ২০২৪ সালের ১৮ ও ২০ আগস্টে দায়ের করা দুটি হত্যা মামলা রয়েছে।
- 📌 মামলাগুলোতে হত্যা, হামলা ও সংঘবদ্ধভাবে অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
- 📌 ইদ্রিস আলীর সঙ্গে থাকা ছোট বোন ও ভাগিনার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকায় তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
- 📌 বর্তমানে ইদ্রিস আলী আখাউড়া থানার হেফাজতে রয়েছেন এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য প্রস্তুতি চলছে।
📰 বিস্তারিত
আজ মঙ্গলবার দুপুরে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে ইদ্রিস আলীকে আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইদ্রিস আলী ঢাকার আশুলিয়া থানার জামগড়া এলাকার মোহাম্মদ আলী আহমেদের ছেলে। তিনি সকাল সাড়ে ১০টায় ছোট বোন ও ভাগিনাকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কাগজপত্র ও ডাটাবেজ যাচাইয়ের সময় তাঁর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় দুটি হত্যা মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে আটক করা হয় এবং আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ইদ্রিস আলীকে আটক করে আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট ও ২০ আগস্টে দুটি হত্যা মামলা রয়েছে। এছাড়াও, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরের বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগও মামলার নথিতে রয়েছে।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ জানান, ইদ্রিস আলী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মামলায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য তাঁকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় দুটি হত্যা মামলা রয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘ইদ্রিস আলী দুটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে ভারতে যাওয়ার সময় আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
"ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ইদ্রিস আলীকে আটক করে আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইদ্রিস আলী (৩৫), মো. শরীফুল ইসলাম, তানভীর আহমেদ, মো. তরিকুল ইসলাম, মো. ওবায়দুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ বছর (ইদ্রিস আলীর বয়স), ১৮ ও ২০ আগস্ট (মামলার তারিখ), ৯৬৬ বোতল ফেনসিডিল (অন্যান্য খবরের তথ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!