📌 পুলিশ ইয়াবা পাচার বন্ধ করতে কক্সবাজার ও বান্দরবানের ১১টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থায়ী তল্লাশিচৌকি স্থাপনের প্রস্তাব করেছে। এতে এআই মুখ শনাক্তকারী ক্যামেরা, ডগ স্কোয়াড ও গাড়ি স্ক্যানার ব্যবহার করা হবে। ৩২১ জন পুলিশ সদস্য ও ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে
ইয়াবা পাচার বন্ধ করতে পুলিশ কক্সবাজার ও বান্দরবানের ১১টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানেই স্থায়ী তল্লাশিচৌকি স্থাপনের প্রস্তাব করেছে। এতে এআই-নির্ভর মুখ শনাক্তকারী ক্যামেরা, সিসিটিভি ক্যামেরা, মাদক শনাক্তকারী ডগ স্কোয়াড ও গাড়ি-লাগেজ স্ক্যানার ব্যবহার করা হবে। সীমান্ত থেকে শহর পর্যন্ত ইয়াবা পাচারের এই লম্বা রাস্তায় নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পুলিশ কক্সবাজার ও বান্দরবানের ১১টি স্থানে স্থায়ী তল্লাশিচৌকি স্থাপনের প্রস্তাব করেছে
- 📌 প্রতিটি চৌকিতে এআই মুখ শনাক্তকারী ক্যামেরা, ডগ স্কোয়াড ও গাড়ি-লাগেজ স্ক্যানার থাকবে
- 📌 তল্লাশি পরিচালনার জন্য ৩২১ জন পুলিশ সদস্য নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে
- 📌 প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি টাকা
- 📌 ২০২৫ সাল থেকে জুলাই পর্যন্ত বিজিবি ১ কোটি ৫১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৪৫টি ইয়াবা জব্দ করেছে
- 📌 মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার ৮১১টি ইয়াবা জব্দ করেছে
📰 বিস্তারিত
মিয়ানমারের সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ইয়াবা ঢোকার পথে পুলিশের নজরদারি এড়াতে পাচারকারীরা নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। সীমান্ত থেকে শহর পর্যন্ত ইয়াবা পাচারের এই লম্বা রাস্তায় নজরদারির উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের প্রস্তাব অনুযায়ী, কক্সবাজার ও বান্দরবানের ১১টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থায়ী তল্লাশিচৌকি স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এসব চৌকিতে থাকবে এআই-নির্ভর মুখ শনাক্তকারী ক্যামেরা, সিসিটিভি ক্যামেরা, মাদক শনাক্তকারী ডগ স্কোয়াড, গাড়ি ও লাগেজ স্ক্যানার।
তল্লাশিচৌকি পরিচালনার জন্য পুলিশের ৩২১ জন সদস্য নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি টাকা। গত ২৭ জুলাই চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের সদর দপ্তরে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়। চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত উপমহাপুলিশ পরিদর্শক মো. নাজিমুল হক বলেছেন, কোনোভাবেই ইয়াবা ঢুকতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, সন্দেহভাজন ইয়াবা কারবারিদের তল্লাশিচৌকিতে আটকানো হবে। সেখানে শনাক্ত না হলে এআই ক্যামেরায় তাদের শনাক্ত করার ব্যবস্থা থাকবে।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নাফ নদী, সমুদ্রপথ ও সীমান্তসংলগ্ন বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবা বাংলাদেশে ঢোকে। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তকে ইয়াবা প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে শুধু সীমান্তে নজরদারি করে এই মাদক ঠেকানো যাবে না বলে মনে করছে পুলিশ। কারণ, সীমান্ত পার হওয়ার পর ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহার করা হয় বিকল্প সড়ক ও পাহাড়ি পথ দিয়ে। এসব পথ মূল সড়কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সেখানেই স্থায়ী চেকপোস্ট বসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
"কোনোভাবেই ইয়াবা ঢুকতে দেওয়া হবে না—এই লক্ষ্য সামনে রেখেই প্রস্তাবটি করা হয়েছে। সন্দেহভাজন ইয়াবা কারবারিদের তল্লাশিচৌকিতে আটকানো হবে। সেখানে শনাক্ত না হলে এআই ক্যামেরায় তাদের শনাক্ত করার ব্যবস্থা থাকবে।" — মো. নাজিমুল হক, অতিরিক্ত উপমহাপুলিশ পরিদর্শক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার ও বান্দরবানের ১১টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (রামু, সদর, উখিয়া, চকরিয়া, নাইক্ষ্যংছড়ি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নাজিমুল হক (অতিরিক্ত উপমহাপুলিশ পরিদর্শক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১টি তল্লাশিচৌকি, ৩২১ জন পুলিশ সদস্য, ১৩ কোটি টাকা ব্যয়, ১ কোটি ৫১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৪৫টি ইয়াবা জব্দ (বিজিবি), ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার ৮১১টি ইয়াবা জব্দ (মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!