📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২০১৫ সালের ক্রসফায়ার মামলায় এসপি এহসানউল্লাহকে ডেকে ভর্ৎসনা দেন সাবেক ডিআইজি হুমায়ুন কবির: ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি প্রমাণিত

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: হুমায়ুন কবির হুমায়ুন কবির মূল
২০১৫ সালের ক্রসফায়ার মামলায় এসপি এহসানউল্লাহকে ডেকে ভর্ৎসনা দেন সাবেক ডিআইজি হুমায়ুন কবির: ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি প্রমাণিত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০১৫ সালে বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ক্রসফায়ার দেওয়ার ঘটনায় তৎকালীন এসপি এহসানউল্লাহকে সাবেক ডিআইজি হুমায়ুন কবির ভর্ৎসনা দিয়েছিলেন। ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি প্রমাণিত হয়েছে এবং এসপিকে অপেশাদার কাজের জন্য নিন্দা জানানো হয়েছে

২০১৫ সালের মানবতাবিরোধী ক্রসফায়ার মামলায় বরিশাল অঞ্চলের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহকে সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. হুমায়ুন কবির ভর্ৎসনা দিয়েছিলেন। ট্রাইব্যুনাল-২ এ জবানবন্দি প্রমাণিত হওয়ায় এসপিকে অপেশাদার কাজের জন্য নিন্দা জানানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ক্রসফায়ার দেওয়ার ঘটনায় তৎকালীন এসপি এহসানউল্লাহকে ডেকে ভর্ৎসনা দেন সাবেক ডিআইজি হুমায়ুন কবির।
  • 📌 ৯ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে এসপি নিজে তদারকি করে কবির মোল্লা ও টিপু হাওলাদারকে ঢাকা ও কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেন।
  • 📌 ২১ ফেব্রুয়ারি দুজনকে হত্যা করা হয়, এবং এসপি নিজেই পুলিশকে নির্দেশ দেন ক্রসফায়ার করার জন্য।
  • 📌 হুমায়ুন কবির জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, এসপিকে অপেশাদার কাজের জন্য ২০১৫ সালে এসিআরে বিরূপ মন্তব্য করা হয় এবং পরে তাকে বদলি করা হয়।
  • 📌 সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এসপিকে অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে বিবেচনা করতেন এবং তিনি পেশার বাইরে এমপির নির্দেশে কাজ করতেন।
  • 📌 ট্রাইব্যুনালে এসপি এহসানউল্লাহ ও এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ পলাতক, অন্য দুজন আসামি কারাগারে আছেন।

📰 বিস্তারিত

২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতা কবির মোল্লা ও টিপু হাওলাদারকে ক্রসফায়ার দেওয়ার ঘটনায় তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহকে সাবেক ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবির ভর্ৎসনা দিয়েছিলেন। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, হুমায়ুন কবির বর্তমানে ভারতে চিকিৎসাধীন অসুস্থ অবস্থায় আছেন। তাই তাঁর জবানবন্দি আইন অনুযায়ী তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া হয়েছিল।

জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এসপি এহসানউল্লাহ নিজে তদারকি করে দুজনকে ঢাকা ও কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেন। ২১ ফেব্রুয়ারি দুজনকে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি জানতে পেরে এসপিকে অফিসে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন হুমায়ুন কবির। তিনি এসপিকে অপেশাদার কাজের জন্য ভর্ৎসনা দেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, ওসি মনিরুল ইসলাম তাঁকে জানান যে, ভুক্তভোগী দুজনকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেপ্তার করলেও এসপির নির্দেশে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য পাঠানো হয়। এসপি পুলিশকে নির্দেশ দেন ক্রসফায়ার করার জন্য, কিন্তু তারা রাজি হননি। পরে অন্য থানার পুলিশ দিয়ে দুজনকে হত্যা করা হয়। এসপিকে অপেশাদার কাজের জন্য এসিআরে বিরূপ মন্তব্য করা হয় এবং পরে তাকে বদলি করা হয়।

"২০১৫ সালে এসপি এহসানউল্লাহর এসিআরে বিরূপ মন্তব্য সংযোজনীসহ পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছিল। এটি তাঁর অপেশাদার কাজকর্মের প্রতি আমার খারাপ ধারণার দালিলিক প্রমাণ।"

হুমায়ুন কবির আরও বলেন, সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এসপিকে অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে বিবেচনা করতেন এবং পেশার বাইরে এমপির নির্দেশে তিনি অনেক কাজ করতেন। এসপিকে বদলি করা হলেও পরে অতিরিক্ত ডিআইজি পদোন্নতি পেয়ে আবার বরিশাল অঞ্চলে আসেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বরিশাল (আগৈলঝাড়া থানা), ঢাকা, কেরানীগঞ্জ, ভারতে
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবেক ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবির, তৎকালীন এসপি এ কে এম এহসানউল্লাহ, সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, ওসি মনিরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৫ (বছর), ৯ ফেব্রুয়ারি (মামলা দায়ের), ২১ ফেব্রুয়ারি (হত্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖