📌 কুড়িগ্রামের রৌমারী জোড়া খুন মামলায় ২০ বছর পর আদালত রায় দিয়েছে। আব্দুল মমিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং চার আসামিকে তিন বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলায় চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।
কুড়িগ্রামের রৌমারী জোড়া খুন মামলায় দীর্ঘ ২০ বছর পর বিচারক মো. জয়নাল আবেদীন রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে আব্দুল মমিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অন্যদিকে আমিনুল ইসলাম, সিদ্দিক, সফিকুল ইসলাম ও আবু বক্করকে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় তিন বছর করে কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০ বছর পর রায়: রৌমারী জোড়া খুন মামলায় বিচারক মো. জয়নাল আবেদীন রায় ঘোষণা করেন
- 📌 যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: আব্দুল মমিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১ হাজার টাকা জরিমানা
- 📌 তিন বছরের কারাদণ্ড: আমিনুল ইসলাম, সিদ্দিক, সফিকুল ইসলাম ও আবু বক্করকে তিন বছর করে কারাদণ্ড
- 📌 খালাস: মামলায় মাইদুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন, হোসেন আলী ও হাসেন আলীকে খালাস দেওয়া হয়
- 📌 ২০০৬ সালের ঘটনা: ২৭ অক্টোবর জালাল উদ্দিন ও তার ভাতিজা খলিলুর রহমান নিহত হন
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে রায় ঘোষণা করা হয়। মামলায় বাদী ছিলেন জালাল উদ্দিনের ভাই মো. আব্দুর রউফ। তিনি ২০০৬ সালের ২৭ অক্টোবর রৌমারী থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর এ রায় ঘোষণা করা হয়। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট তারিকুর রহমান তারিক।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট তারিকুর রহমান তারিক বলেন, ‘দীর্ঘ ২০ বছর পর এ মামলার রায় হয়েছে। এ রায়ের ব্যাপারে আমি সন্তুষ্ট।’
"দীর্ঘ ২০ বছর পর এ মামলার রায় হয়েছে। এ রায়ের ব্যাপারে আমি সন্তুষ্ট।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রৌমারী, কুড়িগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল মমিন, আমিনুল ইসলাম, সফিকুল ইসলাম, আবু বক্কর, মো. জয়নাল আবেদীন, তারিকুর রহমান তারিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর, ১৫ অক্টোবর, ১ হাজার টাকা, ৩ বছর, ৫ হাজার টাকা, ২৭ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!