📌 বিহারের একটি পুরোনো স্ত্রী হত্যা মামলায় ১২ বছর পর 'মৃত' বলে ধরা স্ত্রী জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ঝাড়খণ্ড থেকে তাকে উদ্ধার করে, যার ফলে নির্দোষ স্বামী ও পরিবার মুক্তি পেয়েছে। তবে ২০১৪ সালে খাল থেকে উদ্ধার করা মৃতদেহের পরিচয় এখনো অজানা রহস্য হিসেবে রয়ে গেছে
বিহারের একটি পুরোনো হত্যা মামলায় ১২ বছর পর 'মৃত' বলে ধরা স্ত্রী জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় স্বামী ও তার পরিবারকে দীর্ঘকাল ধরে অপরাধী হিসেবে ধরে রাখা হয়েছিল। ২০১৪ সালে নিখোঁজ হওয়া শকুন্তলা দেবীকে খাল থেকে মৃতদেহ হিসেবে উদ্ধার করা হয়েছিল, যার ফলে তার স্বামী অরুণ মেহতা ও পরিবারের সদস্যদের জেল খাটতে হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ বছর পর 'মৃত' বলে ধরা স্ত্রী শকুন্তলা দেবীকে ঝাড়খণ্ড থেকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ
- 📌 ২০১৪ সালে শকুন্তলাকে খাল থেকে মৃতদেহ হিসেবে উদ্ধার করা হয়েছিল, যার ফলে তার স্বামী ও পরিবারকে জেল খাটতে হয়েছিল
- 📌 ৮ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছিল শকুন্তলার পরিবারকে মামলা আপস করতে
- 📌 ২০১৪ সালে উদ্ধার করা মৃতদেহের পরিচয় এখনো অজানা — নতুন রহস্য উঠে এসেছে
📰 বিস্তারিত
২০১৪ সালের বিহার রোহতাস জেলায় শকুন্তলা দেবীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার ভাই যৌতুক নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা করেন। দু’দিন পর খাল থেকে উদ্ধার হওয়া একটি মৃতদেহকে শকুন্তলার বলে শনাক্ত করা হয়। এরপর স্বামী অরুণ মেহতা ও তার পরিবারের সদস্যদের স্ত্রী হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলা চলাকালীন স্বামী ও পরিবার জামিন পেলেও, শকুন্তলার পরিবারকে মামলা আপস করতে ৮ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছিল।
দীর্ঘ ১২ বছর পর শকুন্তলার শ্বশুরের গোপন সূত্র থেকে জানা যায় যে, তার পুত্রবধূ ঝাড়খণ্ডে 'কান্তি দেবী' নাম নিয়ে অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে বেঁচে আছেন। পুলিশ তদন্তে যাওয়ার পর তাকে জীবিত উদ্ধার করে। শকুন্তলাকে ইতোমধ্যে সাসারামের আদালতে হাজির করা হয়েছে। এই ঘটনায় স্বামী ও পরিবার অবশেষে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে।
তবে নতুন রহস্য উঠে এসেছে — ২০১৪ সালে খাল থেকে উদ্ধার করা মৃতদেহটি কার ছিল? পুলিশ এখনও এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে।
"২০১৪ সালে খাল থেকে উদ্ধার করা মৃতদেহকে শকুন্তলার বলে শনাক্ত করা হয়েছিল, কিন্তু এখন দেখা গেছে তিনি জীবিত ছিলেন। এই ঘটনায় স্বামী ও পরিবারকে দীর্ঘকাল ধরে অপরাধী হিসেবে ধরে রাখা হয়েছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঝাড়খণ্ড (ভারত), সাসারাম (বিহার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শকুন্তলা দেবী, অরুণ মেহতা, শকুন্তলার শ্বশুর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বছর, ৮ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!