📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জামালপুরে খেয়ালখুশির বরাদ্দ, আধা কাজে পুরো বিল: ৫৩৮ প্রকল্পে অনিয়ম, ৪২টির অস্তিত্ব নেই, ২২ কোটি বরাদ্দ

জামালপুরে খেয়ালখুশির বরাদ্দ, আধা কাজে পুরো বিল: ৫৩৮ প্রকল্পে অনিয়ম, ৪২টির অস্তিত্ব নেই, ২২ কোটি বরাদ্দ

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামালপুর ৭ উপজেলায় ৫৩৮ প্রকল্পে অনিয়ম — ৪২টির অস্তিত্ব নেই, ৩৮টিতে আধা কাজে পুরো টাকা। ২০২৪-২৫ এডিপি ২২ কোটি ৩ লাখ ৭৭ হাজার। বকশীগঞ্জে অস্তিত্বহীন শিশু যত্ন বিদ্যালয়ে ৪ লাখ, ইউএনও মাসুদ রানা (এখন এডিসি ময়মনসিংহ) স্বীকার। পিআইসি দরপত্র ছাড়াই বাস্তবায়ন।

জামালপুরের সাত উপজেলায় সরকারি বরাদ্দে ৫৩৮টি স্থানীয় উন্নয়নকাজে (প্রকল্প) ব্যাপক অনিয়ম — ৪২টি প্রকল্পের অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যায়নি এবং ৩৮টি প্রকল্পে আংশিক কাজ হলেও বরাদ্দের পুরো টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপির আওতায় জামালপুরে বরাদ্দ ছিল ২২ কোটি ৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকা — বকশীগঞ্জ উপজেলায় 'শিশু যত্ন বিদ্যালয়' নামের অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, যে প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ও অস্বীকার করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ত

  • ৫৩৮টি উন্নয়নকাজে অনিয়ম — জামালপুরের ৭ উপজেলায় (সদর, মেলান্দহ, ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, বকশীগঞ্জ, মাদারগঞ্জ, সরিষাবাড়ী)।
  • ৪২টি প্রকল্পের অস্তিত্ব নেই — ৩৮টিতে আংশিক কাজ, পুরো টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।
  • বরাদ্দ: ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২২ কোটি ৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকা।
  • বকশীগঞ্জ 'শিশু যত্ন বিদ্যালয়': ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ (২ লাখ অবকাঠামো + ২ লাখ আসবাব/খেলনা) — প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই; উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।
  • তৎকালীন ইউএনও মাসুদ রানা (এখন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক): "ওই বিদ্যালয় গড়ে তোলার চিন্তা থেকে প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল — সম্ভব না হওয়ায় টাকায় ক্রীড়াসামগ্রী কিনে অন্য বিদ্যালয়ে বিতরণ করেছি।"
  • পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি): দরপত্র ছাড়াই উপকারভোগী/স্থানীয় প্রতিনিধিদের দিয়ে ছোটখাটো উন্নয়ন — সাধারণত ৫ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হয় না।
  • সরেজমিন: প্রথম আলোর প্রতিবেদক ৮০টি প্রকল্পের অবস্থা সরেজমিনে দেখেছেন।

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় 'শিশু যত্ন বিদ্যালয়' নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে চার লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল — অবকাঠামো উন্নয়নে দুই লাখ, বাকি টাকা আসবাব ও খেলনাসামগ্রী কিনতে। কাগজে-কলমে কাজটি সম্পন্ন হয়েছে, কিন্তু গত জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শিশু যত্ন বিদ্যালয় নামে কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি প্রথম আলো — পরে বকশীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হয় এবং তারা বলছে, ওই নামে কোনো প্রতিষ্ঠান বকশীগঞ্জে নেই। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানকে ওই বরাদ্দ দিয়েছিল বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন — আর কাজটি 'সম্পন্ন' করা হয়েছিল প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) মাধ্যমে।

পিআইসির আওতায় অস্তিত্বহীন বিদ্যালয়ে যখন চার লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, তখন বকশীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছিলেন মাসুদ রানা — তিনি এখন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, "সত্যি কথা, ওই বিদ্যালয় গড়ে তোলার চিন্তা থেকে ওই নামে প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল — কিন্তু সেটি সম্ভব না হওয়ায় পরবর্তী সময়ে ওই টাকায় বিভিন্ন ক্রীড়াসামগ্রী কিনেছিলাম আমি নিজে, সেগুলো আমি অন্যান্য বিদ্যালয়ে বিতরণ করেছি।" জামালপুরে যে ৫৩৮টি উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা বলা হচ্ছে, তার মধ্যে ৮০টির এখন কী অবস্থা তা সরেজমিনে দেখেছেন প্রথম আলোর এই প্রতিবেদক — জামালপুরের সাতটি উপজেলায় এডিপির আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২২ কোটি ৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং এ বরাদ্দের বিপরীতে স্থানীয় পর্যায়ে ৫৩৮টি উন্নয়নকাজ নেওয়া হয়।

যাচাই অবস্থা: ✓ যাচাইকৃত (নির্ভরতা স্কোর: 100%)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖