📌 ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় ইতিহাস বিষয়ে মেধাক্রমে প্রথম হওয়া নীলফামারীর সোহেল রানা অবশেষে গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হন। দীর্ঘ অপেক্ষা ও বাদ পড়ার পর ৫ অক্টোবর তার নাম সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনে অন্তর্ভুক্ত হয়
নীলফামারী: ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় শিক্ষা ক্যাডারের ইতিহাস বিষয়ে মেধাক্রমে প্রথম হওয়া সোহেল রানা অবশেষে গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হন। সোমবার (৫ অক্টোবর) বাদ পড়া প্রার্থীদের জন্য সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। দীর্ঘ অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের কুখাপাড়া গ্রামের কৃষক পরিবারের সন্তান সোহেল রানার জন্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় ইতিহাস বিষয়ে মেধাক্রমে প্রথম হওয়া সোহেল রানা অবশেষে গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হন
- 📌 ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত গেজেটে তার নাম না থাকায় তিনি বাদ পড়ার বিষয়টি নিয়ে হতবাক ছিলেন
- 📌 ৬৬৮ জন মনোনীত প্রার্থীর মধ্যে ৫৭ জনের নাম গেজেটে ছিল না, তাদের মধ্যে ছিলেন সোহেল রানা
- 📌 সোহেল রানা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন, বাদ পড়া ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন ৫ অক্টোবর জারি করা হবে
📰 বিস্তারিত
গত ৩০ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। তবে পিএসসির চূড়ান্ত ফলে সাময়িকভাবে মনোনীত ৬৬৮ জনের মধ্যে ৫৭ জনের নাম গেজেটে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। তাদের মধ্যে ছিলেন ইতিহাস বিষয়ে মেধাক্রমে প্রথম স্থান অধিকারী সোহেল রানা। গেজেটে তার নাম না থাকায় তিনি নিজেই হতবাক হয়ে পড়েন। তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তার নাম বাদ দেওয়ার কারণ তিনি জানেন না। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।
সোহেল রানা নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের কুখাপাড়া গ্রামের কৃষক আবু হোসেন ও গৃহিণী শাহিদা বেগমের সন্তান। তিনি অভাব-অনটনের মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে সোনারায়-সংগলশী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ এবং রংপুরের কারমাইকেল কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এইচএসসিতে জিপিএ-৪.৯২ অর্জন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হয়ে ২০২০ সালে সিজিপিএ ৩.৫৪ নিয়ে স্নাতক এবং ২০২১ সালে সিজিপিএ ৩.৫৬ নিয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গেজেট প্রকাশের পর জানিয়েছিলেন, যাচাই-বাছাই ও পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে বাদ পড়া ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন ৫ অক্টোবর জারি করা হবে। অবশেষে নির্ধারিত দিনে সোহেল রানাসহ বাদ পড়া প্রার্থীদের নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ায় তার বিসিএস ক্যাডারে যোগদানের পথ পরিষ্কার হলো। এ বিষয়ে সোহেল রানা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ আমার মনের সর্বোচ্চ যে চাওয়া সেটি পূর্ণ হয়েছে, এর বাইরে আমার আর কোনো চাওয়া নেই।’
"আলহামদুলিল্লাহ আমার মনের সর্বোচ্চ যে চাওয়া সেটি পূর্ণ হয়েছে, এর বাইরে আমার আর কোনো চাওয়া নেই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নীলফামারী সদর উপজেলা, সোনারায় ইউনিয়ন, কুখাপাড়া গ্রাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহেল রানা, সালাহউদ্দিন আহমদ, আবু হোসেন, শাহিদা বেগম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ), ৬১১ জন নিয়োগ, ৬৬৮ জন মনোনীত, ৫৭ জন বাদ পড়া, জিপিএ-৫ (জিপিএসসি), জিপিএ-৪.৯২ (এইচএসসি), সিজিপিএ-৩.৫৪ (স্নাতক), সিজিপিএ-৩.৫৬ (স্নাতকোত্তর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!