📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুদ্ধের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের বিপক্ষে জেলেনস্কির কঠোর অবস্থান

যুদ্ধের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের বিপক্ষে জেলেনস্কির কঠোর অবস্থান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধরত ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজন দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে বলে সতর্ক করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। নির্বাচন আয়োজনের বিরুদ্ধে তাঁর এই অবস্থান যুদ্ধকালীন রাজনৈতিক উত্তাপকে আরও বৃদ্ধি করেছে

রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজন দেশকে বিভক্ত ও ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। গত রোববার তিনি এ বিষয়ে প্রথমবার সরাসরি মত প্রকাশ করেন। এর আগে ইউক্রেনের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ যুদ্ধকালীন নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানালে দেশজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইউক্রেনের আইনে যুদ্ধকালীন নির্বাচন আয়োজন নিষিদ্ধ থাকলেও ফেদোরভ তা পুনর্বিবেচনার দাবি জানান
  • 📌 জেলেনস্কি বলেন, যুদ্ধের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে
  • 📌 ইউক্রেনের জনমত জরিপে ৫৭ শতাংশ মানুষ যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছেন
  • 📌 জেলেনস্কির জনসমর্থন প্রায় ৬০ শতাংশের কাছাকাছি স্থিতিশীল রয়েছে

📰 বিস্তারিত

গত মাসে ফেদোরভকে আকস্মিকভাবে বরখাস্ত করার ঘটনায় ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। যদিও আন্দোলনকারীরা তাঁর নির্বাচন আয়োজনের দাবির সঙ্গে একমত হতে পারেননি। ইউক্রেনের আইনে যুদ্ধ চলাকালে নির্বাচন আয়োজন নিষিদ্ধ থাকলেও ফেদোরভ তা পুনর্বিবেচনার জন্য আহ্বান জানান। এ প্রসঙ্গে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমি মনে করি, যদি আমরা দেশকে ধ্বংস করতে চাই, তাহলে এ ধরনের যুদ্ধের মধ্যে নির্বাচনের দিকে এগোতে পারি।’

বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুদ্ধকালীন নির্বাচন আয়োজন অত্যন্ত কঠিন হবে। কারণ নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগ, বিদেশে অবস্থানকারী লাখ লাখ ইউক্রেনীয়, রুশ দখলদারির অধীন এলাকা এবং সম্মুখযুদ্ধে লড়াইরত সেনাদের কারণে নির্বাচন আয়োজন প্রায় অসম্ভব। জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে নির্বাচন রাষ্ট্রের জন্য একটি সুনামির মতো অবস্থা হবে, যা ইউক্রেনকে বিভক্ত করে দেবে।’

কিয়েভ ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব সোসিওলজির ৫ আগস্টের এক জরিপে দেখা গেছে, ৫৭ শতাংশ ইউক্রেনীয় চান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। ইউক্রেনে জেলেনস্কির প্রতি জনসমর্থন প্রায় ৬০ শতাংশের কাছাকাছি রয়েছে। তবে জনমত জরিপ পরিচালনাকারীরা বলেছেন, ইউক্রেনীয়রা রাজনীতিতে নতুন মুখ দেখতে চাইলেও ভোট দেওয়ার ব্যাপারে তাঁদের আগ্রহ খুবই কম।

‘এই মুহূর্তে নির্বাচন রাষ্ট্রের জন্য একটি সুনামির মতো অবস্থা হবে, যা ইউক্রেনকে বিভক্ত করে দেবে। তাই আমার কৌশল হলো, দেশকে যুদ্ধের অবসানের দিকে নিয়ে যাওয়া এবং একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ইউক্রেনকে টিকিয়ে রাখা।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইউক্রেন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ শতাংশ, ৫৭ শতাংশ, ৫ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖